fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শাসকের ছাত্ররা প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করলেও অধিকার নেই শুধু সিপি’র, ক্ষোভ প্রদেশ কংগ্রেসের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন নিয়ে ফের তৃণমূলের দ্বিচারিতা। আভিযোগ করল প্রদেশ কংগ্রেস। শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে দলের মুখপাত্র অমিতাভ চক্রবর্তী একথা বলেন। তিনি বলেন, ‘৬৭ বছরে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র পরিষদ মহাজাতি সদনে প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করতে পারল না। তাও এমন মুখ্যমন্ত্রীর আমলে, যার রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্র পরিষদের আবর্তে। কেভিড-১৯ এর দোহাই দিয়ে ছাত্র পরিষদকে বঞ্চিত করা হল কিন্তু টিভিতে দেখলাম মুখ্যমন্ত্রীর ভার্চুয়াল মিটিং শোনার জন্য হলের মধ্যে গিজগিজ করছে মানুষ। তৃণমূলের সভা শোনার জন্য হল ভর্তি মানুষকে অনুমতি দেওয়া হল। কিন্তু ছাত্র পরিষদকে তাঁর জন্মস্থানে প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করতে দেওয়া হল না। মহাজাতি সদনের বাইরে প্যান্ডেল হয়েছিল প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের জন্য, সেটাও মধ্য রাতে পুলিশ এসে ভেঙে দিল।’

যদিও ছাত্র পরিষদ সভাপতি সৌরভ প্রাসাদের নেতৃত্বে একটা ম্যাটাডোরের উপরে সভা হয়। মহাজাতি সদনের যে ঘরে ছাত্র পরিষদের জন্ম সেই ঘর ফিরিয়ে দেওয়া এবং ছাত্র পরিষদের প্রাণ পুরুষ প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির আবক্ষ মূর্তি বসানোর দাবি জানায় ছাত্র পরিষদ। সভায় অসিত মিত্র , দেবপ্রসাদ রায় , অমিতাভ চক্রবর্তী , শুভঙ্কর সরকার সহ অনেকে বক্তৃতা করেন। সভায় মোদি সরকারের জোর করে JEE-NEET পরীক্ষা চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনের প্রস্তাব নেওয়া হয়।

এরপর ছাত্র পরিষদের সভাপতির নেতৃত্বে বাধ্য হয়েই মহাজাতি সদনের বাইরে পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি পালন করা হয়। তারপরেই ছাত্র পরিষদের কর্মীরা আবেগ তাড়িত হয়ে মহাজাতি সদনের প্রাচীর টপকে, ছাত্র পরিষদের পতাকা প্রতি বছরের মত মহাজাতি সদনের মধ্যে উত্তোলন করতে গেলে পুলিশ বেধড়ক লাঠি চালায়। ছাত্র পরিষদ সভাপতি সৌরভ সহ অনেকে আহত হয়। এখনও পর্যন্ত সৌরভ এস এস কে এম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মহাজাতি সদন থেকেই ৬ জন মহিলা সহ ৩০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ লালবাজারে নিয়ে যায়।

এদিন অমিতাভ আরো বলেন, ‘প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের নেত্রীর সরকাররের পুলিশ ছাত্র পরিষদের আবেগকে লাঠি দিয়ে প্রতিহত করল। আর সেই একই কলকাতা পুলিশ তৃণমূলের নকল! ছাত্র পরিষদের ( ৬৭ বছর আগে তৃণমূল ছিল না ) সভা সফল করার দায়িত্ব নিল।একদিকে সনিয়া গান্ধীকে মুখ্যমন্ত্রী বলছেন রাজীব ‘খেলরত্ন’ তিনিই করেছিলেন, অন্যদিকে ২০ শে আগস্ট রাজীব গান্ধীর জন্মদিনেই লকডাউন করে দিলেন যাতে কেউ জন্মদিন পালন করতে না পারে। আসলে তিনি যখন হিন্দিতে দিল্লিতে কথা বলেন তখন একরকম বলেন আবার যখন বাংলায় কথা বলেন তখন অন্যরকম বলেন। এই দ্বিচারিতার বিরুদ্ধেই লড়াই চলবে।’

Related Articles

Back to top button
Close