fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

‘ভারত ছাড়ো’-র ঐতিহাসিক ক্ষণে ‘চাকরি ও রোজগারের’ দাবিতে সরব কংগ্রেস

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘ভারত ছাড়ো’-আন্দোলনের ঐতিহাসিক ক্ষণে ‘চাকরি ও রোজগারের’-দাবিতে সারা দেশজুড়ে সরব হল যুব কংগ্রেস। রবিবার ছিল ইংরেজদের শোষণ, অত্যাচার, লুণ্ঠন ও শাসনের বিরুদ্ধে মহ্ত্মা গান্ধীর নেত্রীত্বে ভারতবাসির গর্জে ওঠার ঐতিহাসিক দিন। আর সেই দিনেই যুব কংগ্রেস কর্মীরা দেশ জুড়ে চাকরি ও রোজগারের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল। এই আন্দোলন কে যথেস্ট তাতপর্যপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা আধির চৌধুরি।

এদিন এক ভিডিও বার্তায় অধির বলেন, ‘যুব কংগ্রেসের কর্মীরা আজ সারা ভারত জুড়ে আন্দোলনে শামিল হয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে আমাদের বেকার যুব সম্প্রদায়কে ‘কাজ দাও, রোজগার দাও, চাকরি দাও’- এর থেকে ভালো এই শুভক্ষনে আর কি হতে পারে? লকডাউনের জন্য ভারতজুড়ে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ কোটি মানুষ এই মুহুর্তে নিজেদের রুজি-রোজগার হারিয়েছেন। সারা ভারত জুড়ে এখন আর্থিক হাহাকার। আর্থিক সংকটের ছায়া ঘরে ঘরে। গরিবী ও ক্ষুধার্ততা গ্রাস করছে ভারতের আম নাগরিকদের। এই সময় সকলের কাজের দাবিতে এই আন্দোলনে যোগ দেওয়া উচিত। বিশেষ করে আজকের দিনে ভারতছাড়ো আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছিল মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ দেশের যুব ও বেকার ভাইদের কাছে।’

এদিকে কলকাতায় এদিন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দিনটিকে স্মরনীয় করতে এআইসিসি সদস্য প্রদীপ প্রসাদের নেত্রীত্বে দঃ কলতাতা জেলা কংগ্রেস কর্মীরা বেলা ১২টা নাগাদ হাজরা মোড় থেকে ইন্দিরা গান্ধীর মূর্তি পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য মিছিল সংগঠিত করে। তাদের দাবি দেশের বর্তমান সরকার দেশ বিক্রী করার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু বহু রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পর,দেশের মানুষের স্বপ্ন পূরনের লক্ষে কষ্টার্জিত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে কংগ্রেস সরকারের প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু যে সমস্ত রাষ্টায়ত্ত শিল্প স্হাপন করে ছিলেন। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীরা সেগুলো আরও বড় আকারে পরিনত করেছিলেন। সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠান গুলো বিক্রী করতে উদ্ধত হয়েছেন বর্তমান সরকার। পূর্বতন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী ব্যাঙ্ক এবং কয়লা খনি রাষ্ট্রায়ত্তকরন করেছিলেন শুধু। কিন্তু বর্তমান সরকার সব প্রতিষ্ঠান গুলোকে বেসরকারী করন করার পথে।

Related Articles

Back to top button
Close