fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশশিক্ষা-কর্মজীবনহেডলাইন

৮৬’র শিক্ষানীতিকে একবিংশ শতকে আনার চেষ্টা করেছিলাম, মোদি সরকার সাহস দেখিয়েছে: থারুর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি বরাবরই স্পষ্টবক্তা বলেই পরিচিত ভারতীয় রাজনীতিতে। শাসকদল থাকুক কিংবা বিরতিতে ভালো-মন্দ ত্রুটি-বিচ্যুতি সবকিছুই তিনি তুলে ধরতে চান দেশবাসীর কাছে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।

ইউপিএ আমলেই শিক্ষানীতি সংশোধনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। শেষপর্যন্ত নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয় জমানায় ১৯৮৬ সালের শিক্ষানীতি সংশোধন করা হয়েছে। সেই নয়া শিক্ষানীতিকে স্বাগত জানালেন তিরুবন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। একইসঙ্গে একাধিক প্রশ্নচিহ্নও তুললেন।

বহস্পতিবার একাধিক টুইটবার্তায় ইউপিএ-২ জমানায় মানবসম্পদ ও উন্নয়নের রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মানবসম্পদ ও উন্নয়ন মন্ত্রকে আমার সময় থেকেই ১৯৮৬ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিকে সংশোধন করে একবিংশ শতাব্দীতে আনার পক্ষে সওয়াল করেছিলাম। আমি খুশি যে মোদী সরকার অবশেষে সেই সাহসটা দেখিয়েছে, যতই সেটা করতে ছ’বছর সময় লাগুক না কেন।’ ২০১২ সালের ২ নভেম্বর মানবসম্পদ ও উন্নয়ন মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন থারুর।

অপর একটি টুইটবার্তায় কংগ্রেস সাংসদ বলেন, ‘রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্কের ঘোষিত নয়া শিক্ষানীতির যতটা আমরা দেখেছি, তাকে স্বাগত জানানোর যথেষ্ট পরিসর আছে। আমরা কয়েকজন যে সুপারিশ করেছিলাম, তার অনেকগুলিই নেওয়া হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’ তবে কী কারণে সেই শিক্ষানীতি আগে সংসদে পেশ করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস সাংসদ।

Related Articles

Back to top button
Close