fbpx
কলকাতাহেডলাইন

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের সরকারি বাসের কর্মীরা, কমতে পারে বাসের সংখ্যা!

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  লকডাউনের জেরে গত সপ্তাহেই বৃহত্তর কলকাতা জুড়ে কমেছিল বেসরকারি বাস। তার সঙ্গে ছিল অন্যান্য জটিলতাও। তবে এবার পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগমের একাধিক চালক ও কন্ডাক্টর করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সোমবার থেকে সরকারি বাসও কমে যাওয়ারও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগমের গত কয়েকদিনে সারা রাজ্যজুড়ে সরকারি বাস ও কন্ডাক্টর মিলিয়ে প্রায় ৪২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ইতিমধ্যেই দু’জন মারাও গিয়েছেন। তার জেরে চালক ও কন্ডাক্টরদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। একে করোনা সংক্রমণের জন্য অনেকেই চিকিত্‍সাধীন এবং অনেকেই হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কমেছে কর্মী সংখ্যা।

তারই প্রতিফলন পড়েছে সোমবার বাসের সংখ্যার উপর। সকাল থেকে শহরের রাস্তায় বাস বেশ কম। সপ্তাহের প্রথম দিন কাজে বেরিয়ে সমস্যার মুখোমুখি আমজনতা। সৌজন্যে সেই বাস পরিষেবার অপ্রতুলতা। তার উপর বেশকিছু জায়গায় লকডাউন থাকায় রাস্তায় নামেনি কোনও বাস। তাই সকাল থেকেই একটা সমস্যার মুখে অফিসযাত্রীরা। কিন্তু তারই মধ্যে কী করে ভাল পরিষেবা দেওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তায় পরিবহণ কর্তারা। তাঁরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছেন কীভাবে এই পরিষেবা দেওয়া যায় তা নিয়ে।

এই ভাবনা থেকেই পরিবহণ কর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যে রাস্তায় যাত্রী নেই, সেখানে বাসের সংখ্যা কমিয়ে যে রুটে যাত্রী বেশি, সেই রুটে বাস চালানো হবে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে পরিবহণ দফতর। পাশাপাশি, কোনও চালক কিংবা কন্ডাক্টর করোনা আক্রান্ত হলেই তাঁকে যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা যেমন করা হচ্ছে, তেমনি কর্মীদের ডিউটির দিন কমিয়ে সপ্তাহে তিন-চার দিন করা হয়েছে। তাতে এঁদের উপর চাপ যেমন কমছে, তেমনি বেশি সময় ধরেও সংশ্লিষ্ট দিনগুলিতে ডিউটি করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকাভিত্তিক কড়া লকডাউন, জেলাশাসকদের উপর দায়িত্ব দিল নবান্ন

সরকারের পক্ষ থেকে এতকিছু পদক্ষেপ করা হলেও মোটের উপর যাত্রীদের সমস্যা রয়েই গিয়েছে। কারণ বেসরকারি বাস এখনও সেই পরিমাণ রাস্তায় নামেনি। সরকারি বাসের সংখ্যাও কম। তথ্য বলছে, লকডাউনের আগে যা পরিস্থিতি ছিল, আনলকের মধ্যে তা অনেকটাই খারাপ হয়েছে। কারণ, প্রতি সাতটি বাসের মধ্যে ২ টি করে বাস কমে গিয়েছে রাস্তা থেকে। আর আনলকের দু’মাস প্রায় হয়ে গেলেও সেই সমস্যা সমানেই চলছে। যার জেরে অতান্তরে রাস্তায় বেরোন সাধারণ মানুষ।

Related Articles

Back to top button
Close