fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা ও আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় কপালে চিন্তার ভাঁজ তরমুজ চাষিদের

অসীম বেরা, ঘাটাল: করোনা আতঙ্ক ও আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা সঙ্গে লকডাউন এই দুইয়ে মিলে দিশেহারা তরমুজ চাষিরা।

এবছর অতিবৃষ্টির ফলে নষ্ট হয়েছে গাছ। কমেছে ফলন। অপরদিকে করোনা ভাইরাসের ফলে লকডাউনে বাইরে যাচ্ছে না তরমুজ। তাই অন্য বছরের তুলনায় কমেছে দাম। খরচ  রয়েছে একই। তাই দুঃশ্চিন্তায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ১ ও ২ নম্বর ব্লকের তরমুজ চাষিরা। জানা যায় চন্দ্রকোনার কালাকড়ি, মানিককুণ্ডু, জাড়া, বড়োআকনা সহ  বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা আলুর পরেই তরমুজ চাষে মেতে ওঠেন। এককথায় অর্থকরী ফসল হিসাবে এই এলাকার মানুষরা তরমুজ চাষকে বেছে নিয়েছেন। আর সেই তরমুজ চাষে বিঘে পিছু ১০ হাজার টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন চাষিরা।

তরমুজ চাষি সুনীল ঘোষ, অজিত  ঘোষ, সুজিত দিন্ডা বলেন, ” অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর বেশি বৃষ্টি হওয়ায় নষ্ট হয়েছে গাছ ফলন কমেছে তরমুজের। তার উপর   গোডাউনের জেরে বাইরে যাচ্ছে না তরমুজ। তাই তরমুজের দামও কম।  মাঠের তরমুজ মাঠেই পড়ে নষ্ট হচ্ছে। কিভাবে ঋণ শোধ করবে তা বুঝে উঠতে পারছে না তারা। চাষিরা জানায়, গ্রীষ্মের সময় এই ফসল চাষ করা হয়,  এই চাষে বিঘা পিছু খরচ ১৫ থেকে ১৭ হাজার টাকা।

সেই তরমুজ বিক্রি করে ঘরে আসছে বিঘে প্রতি ৫ হাজার টাকা, অপরদিকে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ফসল ভালো হয়নি। অন্যান্য বছর বিক্রি হয়েছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা কুইন্টাল হিসাবে আর এই বৎসর তরমুজের দাম ৫০০ থেকে   ৭০০ টাকা কুইন্টাল। লকডাউনের জন্য  বাইরের জেলা থেকে আসছে না ক্রেতারা এতেই দুঃশ্চিন্তায় দিন গুণছেন চন্দ্রকোনার তরমুজ চাষিরা।

 

Related Articles

Back to top button
Close