fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনার থাবা বগুলায়, মৃত্যু এক মহিলার

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, হাঁসখালী : অবশেষে বগুলাতেও হানা দিল আন্তর্জাতিক মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ।এই ছোঁয়াচে জীবাণুর কড়াল গ্ৰাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল স্থানীয় জনৈকা বগুলা কলেজপাড়ার বাসিন্দা শ্রীমতি ঝর্ণা বিশ্বাসের (৫২)।

 

 

গত ১৯ শে জুন কলকাতার আর্মি কমোন্ডো হাসপাতালে রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে ঝর্ণা বিশ্বাসের মৃত্যু হয়। পুলিশ ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর,গত ১৫ ই জুন ব্রেন স্টোকের উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় বগুলা গ্ৰামীণ হাসপাতাল ভর্তি করা হয় ঝর্ণা দেবীকে।অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত স্থানান্তরিত করা হয় শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে, সেখানেও চিকিৎসায় আশানুরূপ সাড়া না দেওয়ায় , রোগিকে দ্রুত কলকাতায় স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। ঝর্ণা দেবীর স্বামী অমর কৃষ্ণ বিশ্বাস, সেনাবাহিনীতে কর্মরত, ফলে পরিবারের পক্ষথেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কলকাতা আর্মি কমোন্ডো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার।সেমতো দ্রুত রোগিকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার আর্মি কমোন্ডো হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা শুরু হয় ঝর্ণা দেবীর এবং রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর পর দেহ পরীক্ষায় দেখা যার করোনা পজিটিভ।

 

 

কীভাবে সংক্রমিত হলেন ঝর্ণা দেবী,সে ব্যাপারে এখনও কোন সঠিক তথ্য,চিকিৎসক কিংবা পুলিশ প্রশাসন জানতে পারেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ,এত কিছুর পরও পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি একেবারে গোপন রেখে, এলাকার জনগণ কে মহা আতঙ্কের মধ্যে ফেলে দিয়েছে ঐ পরিবারটি। একটি শিক্ষিত পরিবারের কাছ থেকে এহেন আচরণে সত্যিই হতবাক্ এলাকাবাসী। কারন, করোনা ভাইরাস ছোঁয়াচে সংক্রমণ ব্যাধি হলেও চিকিৎসায় কিন্তু ভালো সাড়া মিলছে, সরকারি পরিসংখ্যান কিন্তু তেমনটাই বলছে।বগুলা গ্ৰামীণ হাসপাতালের সুপার তথা হাঁসখালী ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারীক ডাঃ বীরেন মজুমদার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে বগুলা হাসপাতালে ঐ রোগি ভর্তি করবার সময় যারা ডিউটি তে ছিলেন অর্থাৎ চিকিৎসক, নার্স, সেবা কর্মী, প্রত্যেকেরই লালা রস পরীক্ষা সহ কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অপরেশন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন,ঐ মহিলার সংস্পর্শে যে সমস্ত চিকিৎসক, নার্স ও সেবা কর্মীরা এসেছিলেন, তাদের প্রত্যেককেই লালা রস পরীক্ষা করা হবে।

Related Articles

Back to top button
Close