fbpx
দেশহেডলাইন

৪৪ হাজার কোভিড পজিটিভ ২৪ ঘণ্টায়, দৈনিক সংক্রমণ সামান্য কমলেও স্বস্তি নেই দেশের কোভিড গ্রাফে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন সপ্তাহেও নতুন করে আক্রান্তের তুলনায় করোনাজয়ীর সংখ্যা কম। দৈনিক সংক্রমণ সামান্য কমলেও, স্বস্তি নেই দেশের করোনা গ্রাফে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার ৫৯ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫১১ জনের। ওই একই সময়ের মধ্যে করোনার কোপ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪১ হাজার ২৪ জন।

সোমবারের পরিসংখ্যান বলছে, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৯০ লক্ষ ছাড়িয়েছে। আপাতত তা ৯১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৬৬, যার মধ্যে এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪৮৬। করোনার বলি দেশের মোট ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৭৩৮জন। এখনও পর্যন্ত করোনা জয় করে ফিরেছেন মোট ৮৫ লক্ষ ৬২ হাজার ৬৪২।

মহারাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭,৮০,২০৮ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৬,৬২৩ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৬,৫১,০৬৪ জন। মহারাষ্ট্রে অ্যাকটিভ কেস ৮২,৫২১। কর্নাটকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৭৩,০৪৬। মৃত্যু হয়েছে ১১,৬৫৪ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৮,৩৬,৫০৫ জন। কর্নাটকে অ্যাকটিভ কেস ২৪,৮৮৭। অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৬২,২১৩ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৬৯৩৮ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৮,৪১,০২৬ জন। অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১৪,২৪৯। তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭,৬৯,৯৯৫। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১১,৬০৫ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭,৪৫,৮৪৮ জন। তামিলনাড়ুতে অ্যাকটিভ কেস ১২,৫৪২। উত্তরপ্রদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫,২৬,৭৮০। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৭৫৫৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৪,৯৫,৪১৫ জন। উত্তরপ্রদেশে অ্যাকটিভ কেস ২৩,৮০৬। দিল্লিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫,২৯,৮৬৩। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৮৩৯১ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,৮১,২৬০ জন। রাজধানী শহরে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৪০,২১২।

আরও পড়ুন: শীতের হিমেল হাওয়া শুরু! কলকাতায়ও অব্যাহত পারদ পতন

গত কয়েকদিন দিল্লি, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা-সহ একাধিক রাজ্যে করোনা সংক্রমণ ফের বেড়েছে। শীতের মরশুম শুরু হতেই এই পরিসংখ্যানে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। রাজ্যগুলির করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। চলতি সপ্তাহে বাংলা-সহ আরও ৫ রাজ্যে প্রতিনিধি দলের পরিদর্শন করার কথা। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে করোনাযুদ্ধে ভারত ফের খানিকটা পিছিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজও চলছে জোরকদমে। আশা জাগাচ্ছে কয়েকটি প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলাফল। তবে আগামী বছরের আগে জনসাধারণের নাগালে কোনও প্রতিষেধকই আসবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

 

Related Articles

Back to top button
Close