fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

করোনায় বাংলাদেশে মৃত্যু কমেছে ৩০ ভাগ, মোট আক্রান্ত ২ লাখ ১৮,৬৫৮

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: মহামারি করোনাভাইরাসে প্রতিবেশি বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৪৮ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত শনাক্ত হল ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ জন। নতুন করে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৫ জনের। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৮৩৫ জন। এর আগে বৃহস্পতিবার মারা গিয়েছিল ৫০ জন। সে তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে।

 

আক্রান্তদের মধ্যে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ২০ হাজার ৯৭৬ জনে। মোট শনাক্ত থেকে সুস্থ্যতার সংখ্যা বাদ দিলে দেশে বর্তমান রোগী ৯৭ হাজার ৬৮২ জন। শুক্রবার দুপুরে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৩৬১টি, নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ২৭টি। এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ৯১ হাজার ৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৪৮ জন।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ১৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩০ শতাংশ। নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ জন এবং ৭ জন নারী। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ ২ হাজার ২৩৭ জন এবং নারী ৫৯৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৭০৯ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৮ হাজার ৯৭০ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৫৯৯ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন ২৬ হাজার ৯৪০ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৯১০ জনকে।

তিনি আরও জানান, প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে এক হাজার ৯৬১ জনকে। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৪ লাখ ২১ হাজার ৭৫২ জনকে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ২২ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ২২২ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৯ হাজার ৫৩০ জন।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়িয়ে এ ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়। ছুটি শেষে করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

Related Articles

Back to top button
Close