fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণবিনোদনহেডলাইন

রাজনীতিতে পা রেখেছেন সদ্য, সামগ্রিক পরিস্থিতি, রাজনীতি, সিনেমা নিয়ে সমস্ত প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দিলেন অভিনেতা অনিন্দ্য ব্যানার্জী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সিনেমার পর্দা হোক কিংবা মঞ্চ তাঁর অভিনয়ের দক্ষতা সবসময় মন ছুঁয়েছে দর্শকদের। এবার রাজনীতিতে পা রেখেছেন সদ্য, সামগ্রিক পরিস্থিতি, রাজনীতি, সিনেমা নিয়ে সমস্ত প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দিলেন অভিনেতা অনিন্দ্য ব্যানার্জী

প্রশ্ন: করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আপনার মতামত কি? কি হতে চলেছে ভবিষ্যৎ?

অনিন্দ্য: সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কোনও উন্নতি হচ্ছে না। এর মূল কারণ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই পরিস্থিতিটাকে যত না জটিল এবং যত না কঠিন তার থেকে অনেক বেশি উপস্থাপনা করা হয়েছে শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য। রাজ্য সরকার অহেতুকভাবে জটিল করে দিয়ে মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করছে। যাঁর যেটা দায়িত্ব তাঁকে সেটা না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজে সমস্ত ক্ষেত্রে পা,নাক গলিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছেন যে, আমিই সর্বেসর্বা। আমি সকলের জন্য করছি। আমি আমি আমি,এর থেকে যতক্ষন না উনি বেরোবেন, যতক্ষন না ওনার মধ্যে বিনয়ের প্রকাশ পাবে ততক্ষণ পরিস্থিতি পাল্টাবে না। বামেদের ছায়া হল তৃণমূল। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত ছিল বিনয়ের সাথে পরিস্থিতিটাকে দেখা। সেই মহৎ গুন নেই মুখ্যমন্ত্রীর।
এছাড়া ভবিষ্যৎ আর আগের মত আশা করছি না। কারণ কেউ স্বভাবে আবার কেউ অভাবে রাস্তায় বেরোচ্ছেন। খাবার নেই তাই রাস্তায় বেরোচ্ছেন মানুষ। সেক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ আগের অবস্থায় ফিরে পাওয়ার কোনো আশা নেই।

প্রশ্ন: রাজ্যের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ, করোনা মৃত্যুর সংখ্যা চেপে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, করোনায় কেউ মারা গেলে বলা যাবে না যে তিনি করোনায় মারা গেছেন। এমনকি ত্রাণ বন্টন নিয়েও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে আপনি কি বলবেন?

অনিন্দ্য: অঙ্কের খেলায় মেতেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিটা রাজনৈতিক নেতাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কিন্তু এই বৈশিষ্ট্যটাই নেই তৃণমূল নেতাদের। সেটা লক্ষ্য করা যায় না সিপিএম নেতাদের মধ্যেও। কিছু সংখ্যক বিজেপি নেতার মধ্যেও এই বৈশিষ্ট্য নেই।
এখানে চারিত্রিক দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর। কারণ, উনি সবটাকে ভোটের অঙ্কে দেখছেন। উনি মনে করছেন, ভারতে যতগুলি রাজ্য রয়েছে তার মধ্যে সবথেকে কম সংখ্যক মানুষ মারা গেছেন পশ্চিমবঙ্গে। এই রেকর্ডটা উনি নিতে চাইছেন। অথচ উনি এটা ভেবে দেখেছেন না যে করোনা সারা পৃথিবী জুড়ে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিচারধারা, বোধ এতটাই ত্রুটিপূর্ণ যে এই সহজসত্য টাকে স্বীকার করছেন না। চারিত্রিক দৃষ্টতা দেখাচ্ছেননা বলেই এই অঙ্কের খেলায় নেমেছেন। সহজ প্রশ্ন, সমস্ত বিরোধী দল আজ ওনার বিপক্ষে। কেন? কারণ, ভ্রান্ত রাজনৈতিক ধারণা এতটাই বিস্তার করেছেন যে, কোনও রাজনৈতিক নেতারা সেটা মেনে নিতে পারছেন না। উনি একাই ঠিক আর বাকিরা ভুল এটা মনে করার কোনও কারণ নেই। ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর চারিত্রিক দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে।

প্রশ্নঃ এই পরিস্থিতিতে বন্ধ টলিউডের বিভিন্ন শুটিং। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ কি? রোজের পয়সায় যারা কাজ করেন তাদের জন্য কোনো ঘোষণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর? কি মনে হয় আপনার? বিজেপির তরফ থেকেও কোনও হেলদোল নেই। কেন?

অনিন্দ্য: আমরা সেলফ এমপ্লয়ি। আমাদের ওয়ার্ক ফর হোম হয়না। আশ্চর্য লাগছে এখনও সেইভাবে কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেননি। হয়ত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি দ্বিতীয় সারিতে রয়েছে বলেছে। একদিন এদের সমস্যাও সামনে উঠে আসবে। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে। কিন্তু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যাঁরা কাজ করেন সেই সংখ্যাটা কম। অর্থাৎ, ৯০ শতাংশ মানুষ অন্যান্য পেশায় যুক্ত আর ১০ শতাংশ মানুষ যুক্ত এই ইন্ডাস্ট্রিতে। তাই হয়ত এদের সমস্যা সামনে আসেনি। নিশ্চয় সময় আসবে যখন বিজেপিও এগিয়ে আসবে এদের জন্য। পাশাপাশি এটাও ঠিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী টলিউড ইন্ডাস্ট্রির কথা ভাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টিতে নিশ্চয় এ ব্যাপারটা রয়েছে। কেন্দ্র বা রাজ্য বা যৌথ ভাবে অবশ্যই টেকনিশিয়ান ও শিল্পীদের দিকে নজর দেবে এবং তাঁদের পাশে দাঁড়াবে।

প্রশ্ন: নামকরা বুদ্ধিজীবী যারা রয়েছেন যাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছের মানুষ বলে পরিচিত। পুরস্কার বিতরণী হোক কিংবা কোনও উৎসব সবসময় সামনের সারিতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। তাঁদেরকে আজ পথে দেখা যাচ্ছে না। দানের ক্ষেত্রেও নাম শোনা যায়নি এঁদের। এই বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে আপনি কি বলবেন? সুবিধাবাদী নাকি ক্ষমতা লোভী?

অনিন্দ্য: লোকে মজা করে বলে রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের ‘শিরদাঁড়া’ নেই। কোথায়, কবে,কোন সময় তাঁরা এই শিরদাঁড়া বিক্রি করে দিয়ে এসেছে তা বোঝা দুস্কর। এঁরা ফাঁদে পড়েছে। এঁদেরকে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। ফাঁদের বাইরে এঁরা বেরোতে পারবে না। নন্দীগ্রাম,সিঙ্গুরের আন্দোলন থেকে এঁরা বিচ্ছিন্ন করে দেখছেন। শুধুমাত্র তাঁদের একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের জন্য, ব্যক্তিগত সুবিধা,চাওয়া-পাওয়া এই সবের দিকে তাকাতে গিয়ে তাঁরা এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন না। ফলে এঁদের কাছ থেকে খুব বেশী আশা করা যায় না। এই পরিস্থিতিতে বুদ্ধিজীবীদের কোনো বক্তব্য নেই। এমনকি কোনও মিডিয়াতেও এঁদের দেখা যাচ্ছে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো কথা বলছেন না। কোনো ভূমিকাই নিচ্ছেন না তাঁরা। গরিব মানুষকে মেরে ফেলার যে চক্রান্ত চলছে তার বিরুদ্ধেও বলছেন না। কারণ একটাই, তাঁরা অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছেন।

প্রশ্ন: যেখানে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি র বেশিরভাগ নায়ক-নায়িকারা নাম লিখিয়েছেন দিদির খাতায়। সেখানে আপনার গেরুয়া শিবিরে আশার কারণ কি?

অনিন্দ্য: ব্যক্তিগত কিছু কারণ ছাড়াও যেটা রয়েছে সেটা হলো টলিউডের ফেডারেশনের মাথায় যাঁরা ছিলেন তাঁরা এতটাই দুর্নীতিগ্রস্ত, আত্মীয়পোষণ ও সমবর্তন হয়ে পড়েছিলেন যে অন্যান্য রাজনৈতিক বিশ্বাসের লোকেরা তেমন কাজ পেতেন না। এটা মানতে অসুবিধা হয়েছে। কারণ, আমরা অভিনয় জগতে পড়াশুনা করে এসেছি। আন্দাজে অভিনয় করতে আসিনি। ইন্ডাস্ট্রিতে বেশিরভাগ আন্দাজে অভিনয় করতে আসে। রাজ্যে তৃণমূল নামক যে দলটি রয়েছে তাদের না আছে কোনও রাজনৈতিক ভাবাদর্শ, না আছে কোনো ইতিহাস, না আছে কোনো শিক্ষিত লোক। দু-একজন ছাড়া। বাম আমলে জ্যোতিবাবু,বুদ্ধবাবুকে দেখিনি টলিউড ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে মাথা ঘামাতে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু এখান থেকে লিডার তৈরি করা শুরু করেছেন। এবার যাঁরা দলে এলেন তাঁদের সুযোগ-সুবিধা বেড়ে গেলো। বাদবাকি যাঁরা এলেন না বা অন্য মতাদর্শে বিশ্বাস করেন তাঁদের কোণঠাসা করা শুরু হলো। এটা ঠিক নয়। আর এখান থেকেই আমাদের প্রশ্ন জেগেছিল, এটা হওয়ার নয়। এটা হতে পারে না। বিজেপিতে আশার এটা একটা কারণ। আর একটা কথা না বললেই নয়, এখন যাঁরা সরকারে রয়েছেন তাঁদের সরানো না গেলে পশ্চিমবঙ্গ ১০০ বছরের জন্য পঙ্গু হয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। মতাদর্শ, ভাবনা,আদর্শ,শিক্ষা, স্বাস্থ্য সবকিছুতেই পঙ্গু হয়ে যাবে।

প্রশ্ন: সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। ‘ঝড় থেমে যাবে’ এই নামে। সেখানে দেখা গিয়েছে তিনজন তৃণমূল সাংসদ সহ দিদির কাছের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। সেখানে বিজেপি সমর্থিত অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দেখা যায়নি। বিজেপি তকমা রয়েছে বলেই কি তাঁরা বঞ্চিত?

অনিন্দ্য: এটা খুবই স্বাভাবিক। আমি দেখেছি ভিডিওটা। কলাকুশলীরা বাড়িতে বসেই শ্যুট করেছে। এটা পেটোয়া লোকেদের কাজ। যাঁরা অভিনয় করেছেন তাঁরা অত্যন্ত পরিচিত নাম। ফলে প্রচারটা সহজেই মানুষের কাছে পৌঁছাবে। কিন্তু সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে গিয়ে বাদবাকি দিকগুলো অন্ধকারে থেকে গেল। আমি জানিনা একজন সাংসদ এইভাবে প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারেম5 কি না। আর পরিচালকরা তাঁদের কাছের লোকদের নেবে এটা খুবই স্বাভাবিক।

প্রশ্ন:পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির যে সব নেতৃত্বরা রয়েছেন তাঁদের নিয়ে আপনি কতটা আশাবাদী?

অনিন্দ্য: এই পরিস্থিতিতে রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করার পরিসর নেই। কারণ, এই ধরণের সমস্যায় আগে কোনও রাজনৈতিক নেতা, ভারতবাসী মুখোমুখি হয়নি। কিন্তু আমার ধারণা,একজন রাজনৈতিক শীর্ষে থাকা নেতার ভূমিকা ও বিজেপির ভূমিকা কখনোই এক হতে পারে না। আবার অন্যদিকে ত্রাণ তৃণমূলের ঘরানায় দান হয়ে গেছে। ত্রাণ আর দানের মধ্যে বানানের পার্থক্য রয়েছে। এর আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। চুরি হয়ে যাওয়া ত্রাণ দান করা হচ্ছে। সরকারের দান করার কোনও অধিকার নেই। এটাই বোঝার চেষ্টা করেন না অনেকে। রাজনৈতিক নেতারা এর মধ্যে ঢুকে বিপদে ফেলছেন সাধারণ মানুষদের। তবে এটা ঠিক পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মন আমূল পরিবর্তন হয়েছে। এমনকি তৃণমূলের লোকেরাও বুঝতে পারছে যে কার হাতে তাঁরা ব্যাটন তুলে দিয়েছে। আজ কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কোনও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বা মারামারি নেই। রাজনীতি কিন্তু ভ্যানিশ হয়ে গেছে। কিন্তু রাজনীতি একমাত্র একজনের মাথায় ঘুরছে। পাশাপাশি বিরোধীরা বেরোলে তাঁকে সেই জায়গাটা দেওয়া হচ্ছে না। অর্জুন সিংকে আটকে দেওয়া টাই তার উদহরণ।

প্রশ্ন: মুখ্য মন্ত্রীর দাবি জিএসটি-র ক্ষতিপূরণ-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যের বকেয়া পাওনার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। অবিলম্বে বকেয়া পাওনাগণ্ডা মেটানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে কি বলবেন?

অনিন্দ্য: ভুল সময়ে এই চাল চেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে যখন কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিনিধি পাঠালো তখন তাঁদের আটকে দেওয়া হলো। সহযোগিতা করা হলো না। এটা মানুষের মনে প্রভাব ফেলেছে। প্রতিনিধিদের বিরোধিতা না করে প্রথমেই সহযোগিতা করতে পারত। তারপর না হয় বিশ্লেষণ করা যেত অন্য রাজ্যে কেন প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি পশ্চিমবঙ্গে কেন প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে বিজেপি। সেটা না করে আগেই পুরোপুরি বালোকসুলভ কথাবার্তা শুরু করে দিলো। এর মধ্যেই কি কি টাকা পান উনি তার হিসেব পাঠিয়ে দিলেন। এটা পুরোপুরি পাল্টা একটা চাল। আমাদের ও জানার অধিকার আছে রাজ্য সরকার সত্যি এত টাকা পায় কিনা। এই টাকার অঙ্কটা যে সত্যি সেটা কে বলবে। শুধু উনি জানবেন আর কারোর জানার অধিকার নেই? এটা তৃণমূলের আর একটা রাজনৈতিক ভুল পদক্ষেপ।

প্রশ্ন: সৃজিত মুখ্যপাধ্যায় এর দ্বিতীয় পুরুষ সিনেমাতে আপনার ছোট্ট রোলের অভিনয় দর্শকদের মন কেড়েছে। কিন্তু আপনাকে সেইভাবে বড় কোনো রোলে দেখা যাচ্ছে না। কারণ টা কি ওই বিজেপি ছাপ?

অনিন্দ্য: সৃজিতের বাইশে শ্রাবণে যে ভূমিকায় ছিলাম দ্বিতীয় পুরুষ সিনেমা তেও একই ভূমিকায় অভিনয় করেছি। এটা নিয়ে কিছু বলার নেই। তবে সিনেমা তে কোণঠাসা এটা ঠিক। আমি অ্যাকশন ছবি বেশি করিনি। যদিও বাংলা সিনেমা কে আমি কোনও সিনেমা মনে করিনা। এগুলো সব বাংলা ভাষার ছবি। যদিও অর্ধেক ছবি নকল। সাউথ থেকে গল্প নিয়ে ছবি বানাচ্ছে। বাংলা সিনেমা এখন হচ্ছে বাবা-মা কে বৃদ্ধাশ্রমে রাখার মতো সিনেমা। সত্যজিৎ, মৃনাল সেন এঁরা হচ্ছেন সিনেমার বাবা-মা। এঁদের পর যে পতন হয়েছে সেখানে এখন বাংলা সিনেমার পঙ্গু প্রসব হয়েছে।

প্রশ্ন:মুকুল রায় তৃণমূলে থাকাকালীন অনেককেই নেতা করেছেন। আপনি মুকুল ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। আপনাকে কি ভবিষ্যতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে পাওয়া যাবে?

অনিন্দ্য: সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে মুকুল স্যারের ওপর। আমি সব দিক থেকে তৈরি, এটা যদি স্যারের মনে হয় তাহলে অবশ্যই সেই জায়গা উনি দেবেন।

Related Articles

Back to top button
Close