fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা মুক্ত ৬ জওয়ান, আপাতত স্বস্তিতে পশ্চিম মেদিনীপুরবাসি

তারক হরি, পশ্চিম মেদিনীপুর: করোনা আক্রান্ত প্রথম ছয় আরপিএফ কর্মী আজ সুস্থ হয়ে ছাড়া পেলেন, বড়মা সিরোনা (বর্তমানে করোনা হাসপাতাল, লেভেল-৩) হাসপাতাল থেকে। প্রত্যেকেই দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিসনে কর্মরত ছিলেন। এরপর থেকেই খড়গপুর এ একটা চাপা আতঙ্ক কাজ করে আসছিল, যা আতঙ্কের মুক্তি ঘটলো ১১ দিনের মাথায়।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ গিরিশ চন্দ্র বেরা জানিয়েছেন ওই ৬ জন জাওয়ানই আপাততঃ করোনা মুক্ত। দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশন সিনিয়র স্পেশাল ফোর্স-এর জাওয়ানরা হলেন- জয় প্রসাদ, রাম মিলন যাদব, গোপাল যাদব, জলেশ্বর কুমার দুবে, মতরু যাদব, সোম কুমার তাঁতি।দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশন সিনিয়র স্পেশাল ফোর্স-এর ম্যানেজার আদিত্য চৌধুরী বলেছেন যে, “আপাততঃ ওরা প্রটোকল মেনেই এই কোয়ারেন্টাইন এ থাকবেন এর আগে আর এক জাওয়ান পজেটিভ হয়েছিলেন তিনি কোয়ারেন্টাইনেই আছেন. সব মিলিয়ে রেলের আরো চার জাওয়ান রাজ্য ও রাজ্যের বাইরে চিকিৎসাধীন তারাও আরোগ্যর পথে।”

অন্যদিকে হিসাব ধরলে পশ্চিম মেদিনীপুরে পজিটিভ ধরা পড়া এক আরপিএফ জাওয়ান , ঘাটালের এক অ্যাম্বুলেন্স চালক আর বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খড়গপুরগ্রামীণ এর গৃহবধূকে ধরলে সংখ্যাটা মোট তিনে দাড়ায়। তবে কৌতুহল বাড়িয়েছে জয় প্রসাদকে নিয়ে। রাজস্থান ও দিল্লিতে অস্ত্র আনতে যাওয়া দলের মধ্যে ছিলেন তিনি। সেই সময় ছুটি কাটাতে নিজের বাড়ি এলাহাবাদে ছিলেন।

২৭ জনের মূল দলটি অস্ত্র আনতে গিয়ে লক ডাউনে দিল্লিতে আটকে যায়, এরপর রেলের একটি স্পেশাল পারশেল ভ্যানে ওই ২৭ জন খড়গপুর আসার অনুমতি পাই. ওদিকে জয় তার সতীর্থরা খড়গপুর ফেরার অনুমতি পেয়েছেন শুনে তিনি যোগাযোগ করে এলাহাবাদে স্পেশাল ওই দলের সঙ্গে যোগ দেন।
এখন প্রশ্ন, ডিউটি যাওয়ার তাগিদেই জয় আক্রান্ত হলেন, নাকি জয়ের কাছ থেকে বাকিরা আক্রান্ত হলেন? তবে আপাতত স্বস্তিতে খড়গপুর সহ গোটা পশ্চিম মেদিনীপুর বাসি।

Related Articles

Back to top button
Close