fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালো মৌপাল দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠ

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : এবার অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিলি শুরু করল মৌপাল দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠ। শালবনি ব্লকের প্রত্যন্ত এলাকার মৌপাল দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠের বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া অনেক মানুষের বসবাস। বিশেষ করে আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকজন এখানে বাস করেন।

বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির উদ্যোগে এলাকার কুড়ি-একুশটি গ্রামের মধ্যে সার্ভের ভিত্তিতে মোট একশো দুঃস্থ পরিবারের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। সেইমতো বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে এগিয়ে আসে অবিভক্ত মেদিনীপুরের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা’ ও ‘মেদিনীপুরের তরুণ কবিরা’এবং বিদ্যালয়ের বেশ কিছু শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীরা।

এরই সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন শালবনী ব্লক প্রশাসন। পরিকল্পনা অনুযায়ী রবিবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ত্রাণ শিবির থেকে প্রান্তিক একশোটি পরিবারের হাতে চাল, মুসুর ডাল, বিস্কুটের প্যাকেট, সর্ষে তেলের প্যাকেট সম্মিলিত ভাবে তুলে দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের জাতীয় সেবা প্রকল্প বিভাগের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারের হাতে মাস্ক তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শালবনীর বিডিও’র উদ্যোগে ৫ কেজি করে আলুর প্যাকেট তুলে দেওয়া হয় প্রতি পরিবারের হাতে।

এদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ত্রাণ বিতরণ শিবিরের সূচনা করেন শালবনী ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সঞ্জয় মালাকার। ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় ৮ টি সংখ্যালঘু পরিবারের হাতে ফল, বিস্কুট তুলে দেওয়া হয়। এদিনের কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. প্রসূন কুমার পড়িয়া, বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি শশাঙ্ক কুমার ধল, সদস্য নীলোৎপল সাউ, বাবলু কোলে, অনল সাহা, ছাত্রাবাসের শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী, ভরত মাহাতো, সমাজকর্মী রবিউল খান, বিদ্যালয়ের জাতীয় সেবা প্রকল্প বিভাগের সদস্যগন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী রুম্পা মাহাতো, মৌপিয়া ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাশাপাশি সহযোগী সংগঠন মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার পক্ষে সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় খাটুয়া, কোষাধ্যক্ষ ডা. অরূপ কুমার দাস, অমিতাভ দাস, পরিমল মাহাত ও মনিকাঞ্চন রায় উপস্থিত ছিলেন।

মৌপাল দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক ড.প্রসূন কুমার পড়িয়া জানান, করোনা ভাইরাস লকডাউনের ফলে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর আগে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও পরিচালন সমিতির সদস্যদের সম্মিলিত অনুদানের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫১ হাজার টাকা দান করা হয়।

এরই সঙ্গে বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন গ্রামে করোনা সচেতনতা বিষয়ে হ্যান্ডবিল বিলি এবং মাইক প্রচার করা হয়।

Related Articles

Back to top button
Close