fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনায় দুঃস্থ মানুষের পাশে সৎসঙ্গ বিহার

অমিত দাস , নদিয়া: ভয়ানক আতঙ্কে কাটছে দিন। করোনা সংক্রমণের জেরে টানা ২১ দিনের লকডাউনে ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। এই অবস্থায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো। যারা দৈনিক কাজকর্ম করে নিজেদের জীবনযাপন করেন। এদের না আছে বেশি আয় , না আছে বেশি সঞ্চয়। কিন্তু সমাজের একটা বড়ো অংশ এরাই। আর এই অসহায় পরিস্থিতিতে তাঁদের একমাত্র সহায় ভগবান। সেই ভগবানের উজ্জ্বল আলোর জ্যোতি পৌঁছে গেল এইসব দুঃস্থ মানুষগুলোর কাছে।

আজ করিমপুর সৎসঙ্গ বিহারের উদ্যোগে করিমপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকের ১৪ টি অঞ্চলের প্রায় দুইশতাধিক করোনা আপদগ্রস্থ হিন্দু – মুসলিম এবং শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের দীক্ষিত ও অদীক্ষিত নরনারীকে সাবান ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হল।

করিমপুরের নাটনা এলাকায় অবস্থিত এই সৎসঙ্গ বিহারের উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন শ্রী সুনীল কুমার প্রামাণিক (এস.পি.আর), ফণীভূষন ঘোষ, বাসুদেব সরকার, বিকাশ জোয়ার্দ্দার , স্বপন বিশ্বাস, স্বপন হালদার ,শৌভিক মণ্ডল ,পঞ্চানন সরকার, জয়দেব ঘোষ, নবীন ঘোষ, সুজয় সরকার, শ্রীমতি কাজল রায়, প্রীতিভূষণ ঘোষ , উত্তম শর্মা প্রমুখ সৎসঙ্গ বিহারের সদস্যরা।

এদিন সকাল ৭.৩০ থেকে কোভিড-১৯ গাইড লাইন অনুযায়ী প্রত্যেকের দূরত্ব বজায় রেখেই এই কার্য পরিচালনা করেন উদ্যোক্তারা। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য হল “আমরা কেউ ত্রান দিচ্ছিনা, শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছেন “অন্যে বাঁচায় নিজে থাকে ধর্ম বলে জানিস তাকে, ” আমরা সেই ধর্ম পালনের চেষ্টা করছি, তাছাড়া ঠাকুরের কথা অনুযায়ী বিপদে সাহায্য পাওয়া আপদ গ্রস্থের প্রাপ্য আমরা সেই আপদগ্রস্থ মানুষদের হাতে তাদেরই প্রাপ্য সামগ্রী তুলে দিচ্ছি মাত্র “।

এই সৎসঙ্গ বিহারের অন্যতম উদ্যোক্তা উত্তম শর্মা বলেন, আজ এই দুর্দিনে এই সমস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা ঠাকুরের নির্দেশিত পথে চলার চেষ্টা করছি। শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছেন ‘পড়শীরা তোর নিপাত যাবে/ তুই বেঁচে সুখ খাবি বুঝি /যা ছুটে যা ওদের বাঁচা /ওরাই যে তোর বাঁচার পুঁজি। ঠাকুর সবার মঙ্গল করবেন “। এদিন দীক্ষিত অদীক্ষিত মিলে মোট ২০০ জনকে সাবান ও খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এরকম বিপজ্জনক পরিবেশে ঠাকুরের নির্দেশিত পথে তার ভক্তদের এই সহৃদয় সাহায্যের দানে উজ্জীবিত হয়ে উঠুক গোটা পৃথিবী এই আশাই রাখছে এই সৎসঙ্গ বিহারের উদ্যোক্তারা।

Related Articles

Back to top button
Close