fbpx
গুরুত্বপূর্ণছবিহেডলাইন

​ব্রাজিলকে টপকে আক্রান্তের সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে ভারত, একদিনে ফের রেকর্ড সংক্রমণ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  দৈনিক সংক্রমণের গতি যেভাবে বাড়ছিল, সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের নিরিখে ব্রাজিলকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। ফের রেকর্ড গড়ে দেশে একদিনেই করোনার কবলে পড়লেন ৯০ হাজার ৮০২ জন।

সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নয়া বুলেটিনে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১০১৬ জনের। দেশের মোট করোনার বলি এখনও পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬৪২। আর সুস্থতার সংখ্যা সাড়ে ৩২ হাজার পেরিয়েছে। সেটাই একমাত্র আশার আলো। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতবাসী অনেকটাই এগিয়ে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। গত সপ্তাহান্ত থেকেই ফি দিনের রেকর্ড সংক্রমণের নিরিখে বিশ্ব মানচিত্রে ভারত চলে এসেছিল দ্বিতীয় স্থানে, পিছনে ফেলে দিয়েছিল ব্রাজিলকে । ভারতে মোট করোনা পজিটিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে হল ৪২ লক্ষ ৪ হাজার ৬১২। বর্তমানে শীর্ষস্থানে থাকা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবধান রয়েছে ২০ লক্ষের।

পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানার পর এবার খবর মিলেছে, বেঙ্গালুরুতে করোনার পুনঃসংক্রমণ হয়েছে এক মহিলার। দ্বিতীয়বার তাঁর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও খানিকটা কমেছে। তিন সপ্তাহে আইজিজি অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার কথা। এক্ষেত্রে সেটাও ঠিকঠাক হচ্ছে না বলে সন্দেহ প্রকাশ করছেন চিকিত্‍সকরা। বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ বছরের ওই মহিলা জুলাইয়ের শেষে করোনা আক্রান্ত হয়ে ভরতি হয়েছিলেন। তারপর সুস্থ হয়ে গিয়েও ফের অসুস্থ হয়েছেন। এর আগে দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তেলেঙ্গানার দু’জন। তার একদিন আগে হংকং থেকে দু’বার কোভিড আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। তারপরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরে পশ্চিমবঙ্গে ছ’জনের শরীরে দ্বিতীয়বার করোনাভাইরাস আক্রমণ করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গড়ে তিন মাস বা ৯০ দিনের মতো সুরক্ষা দিচ্ছে অ্যান্টিবডি। যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই কম, তার ক্ষেত্রে এই ৯০ দিনও কার্যকর হচ্ছে না। তাই সংক্রমণ ফিরে আসার আশঙ্কা থাকছে।

আরও পড়ুন: অপেক্ষার দিন শেষ, শুরু হল মেট্রো পরিষেবা

ভারতের কোভিড পরিসংখ্যানে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৮৩,৮৬২। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২৬,২৭৬ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬,৩৬,৫৭৪ জন। মহারাষ্ট্রে অ্যাকটিভ কেস ২,২১,০১২। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৮৭,৩৩১। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৩৪৭ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩,৮২,১০৪ জন। অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাকটিভ কেস ১,০০,৮৮০। তৃতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৫৭,৬৯৭। কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৭৭৪৮ জনের। করোনার সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৯৮,৩৬৬ জন। তামিলনাড়ুতে অ্যাকটিভ কেস ৫১,৫৮৩। চতুর্থ স্থানে রয়েছে কর্নাটক। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৮৯,২৩২। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৬২৯৮ জনের। সুস্থ হয়েছে ২,৮৩,২৯৮ জন। কর্নাটকে অ্যাকটিভ কেস ৯৯,৬৩৬। পঞ্চম স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২,৫৯,৭৬৫। মৃত্যু হয়েছে ৩৮৪৩ জনের। সুস্থ হয়েছে ১,৯৫,৯৫৯ জন। উত্তরপ্রদেশে অ্যাকটিভ কেস ৫৯,৯৬৩। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে রাজধানী শহর দিল্লি। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৮,১৯৩।

Related Articles

Back to top button
Close