fbpx
দেশহেডলাইন

স্বস্তির খবর! গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত ৪৭ হাজারেরও কম

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: গত দু’সপ্তাহ ধরে দৈনিক সংক্রমণ ক্রমেই কমতির দিকে। চলতি সপ্তাহে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নেমেছে ৫০ থেকে ৬০ হাজারে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছেন মাত্র ৪৬ হাজার ৭৯১ জন। যা গত কয়েকমাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪৬ হাজার ৭৯১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ৯ হাজার কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ৬৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃতের সংখ্যাটা সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৮৭ জনের। ফলে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৯৭ জন।

আরও স্বস্তির খবর হল, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। অর্থাৎ আক্রান্তের তুলনায় অনেকটা বেশি সুস্থ রোগীর সংখ্যা। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৬৭ লক্ষ ৩৩ হাজার ৩২৯ জন। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫৩৮ জন। যা আগের দিনের তুলনায় অনেকটা কমেছে। দেশের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত ৫ রাজ্যেই করোনা আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী।

করোনা সংক্রমণের শীর্ষে থাকা পাঁচ রাজ্য যথা মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, কেরল, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমেছে। মহারাষ্ট্রে এখন করোনা সংক্রামিতের সংখ্যা ১৬ লাখের কাছাকাছি। তবে দৈনিক সংক্রমণ গত ৭ জুলাইয়ের পর থেকেই কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে বলে খবর। বাকি রাজ্যগুলিতেও সংক্রমণের হার আগের তুলনায় কম।

আরও পড়ুন: চিন ইস্যুতে রাহুলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন অমিত শাহ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডক্টর হর্ষবর্ধন বলেছেন, ভারতে করোনায় মৃত্যুহার এখন বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম। কেন্দ্রের তথ্য বলছে, কোভিড পজিটিভ রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, অন্তত ৫.৭৪ শতাংশ রোগী হাইপারটেনশনে আক্রান্ত, ৫.২০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিস। তাছাড়া, বয়স জনিত অসুস্থতা, লিভারের রোগ, ক্রনিক কিডনির রোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ম্যালিগন্যান্সি, ব্রঙ্কাইটিস, নিউরোমাস্কুলার রোগ, কম প্রতিরোধ ক্ষমতা ইত্যাদি রোগেও কাবু দেশের বেশিরভাগ ভাইরাস আক্রান্তই। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনায় মৃত রোগীদের ১৩.৯ শতাংশই কোমর্বিডিটির শিকার। আর এই গ্রুপে রয়েছেন ৪৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী রোগীরা।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close