fbpx
অফবিটহেডলাইন

করোনা: ঠোঁটে ঠোঁট রাখুন সাবধানে!

অজান্তেই প্রিয়জনের শরীরে প্রবেশ করাচ্ছেন না তো করোনা ভাইরাস?

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ধরা হয় চুম্বনকে। প্রিয় মানুষের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ভালোবাসা এঁকে দিতে কার না ভালো লাগে।ঠোঁটে আলতো চুমুতে যেমন স্নেহ লুকিয়ে থাকে, তেমনই দুই ঠোঁটের গভীর মিলন উসকে দেয় যৌনতাকে। চুম্বনের অনেক উপকারিতা রয়েছে তা আমরা সকলেই জানি। বিশেষ করে ঠোঁট চুম্বনের মাধ্যমে ওজন কমানোর মতো তথ্যও পাওয়া গিয়েছে। মনকে তৃপ্তি দেয়, তেমনই আপনার শরীরে অজান্তে ঢুকে পড়ে বড়সড় রোগ। কিন্তু বিশ্বজুড়ে করোনা আতঙ্ক চলছে৷ মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৩০০০ মানুষের৷ মানুষের করোনা ভীতি জন্ম দিচ্ছে হাজার একটি প্রশ্নের৷ এমনই একটি প্রশ্ন, চুমু খেলেও কি সংক্রমণ ছড়াতে পারে?  আমাদের আশেপাশে, মনের মধ্যেও ঘুরছে এই প্রশ্নটি৷ প্রশ্ন উঠছে যৌন সম্পর্ক নিয়েও৷

  • হাঁচি কাশি থেকে তো অবশ্যই, মুখের লালারস থেকেও ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস। তার কথায়, ভাইরাল অসুখের প্রকোপে অনেকের চোখ থেকে জল পড়ে। কোনোভাবে তা যদি অন্যের সংস্পর্শে আসে তা থেকেও ছড়াতে পারে অসুখ। তাই সাবধান এই সময়ে ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

  • ইতিমধ্যেই ফ্রান্স এবং সুইৎজারল্যাণ্ডে চুমু খাওয়ার ব্যপারে সতর্ক করা হচ্ছে৷ বলা হচ্ছে, সংসর্গ এড়িয়ে যেতে৷ তবে ভাইরাসটির চরিত্রই যেহেতু কোনও ভাবে স্পষ্ট নয়, তাই ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে৷ ক্যালিফোর্নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রমণ বিশেষজ্ঞ ব্রান্ডন ব্রাউন বলছেন, আমরা এখনও পর্যন্ত এমন কোনও উদাহরণ পাইনি যা থেকে নিশ্চিত বলা যায় যে চুম্বন বা যৌন সংসর্গে সংক্রমণ হতে পারে৷ তবে সংক্রমিত ব্যক্তির সংসর্গে থাকলে ফ্লু ছড়িয়ে পড়তে পারে৷ কাজেই নৈকট্য বর্জনীয়ই৷ এ যাবৎ যৌন সংসর্গের মধ্যে দিয়ে সংক্রমণের কোনও পাওয়া যায়নি৷ কিন্তু আর পাঁচটা ছোঁয়াচে জ্বরে মতো এক্ষেত্রেও কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণ ছড়াতে পারে৷ কাজেই সাধু সাবধান৷

আরও পড়ুন:  অবহেলায় বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্মভিটে, আক্ষেপ বর্ধমানবাসীর

  • শুধু করোনা নয় চুমুর মাধ্যমে ছড়াতে পারে অন্য রোগও , গবেষণা বলছে, গভীর চুম্বনের মাধ্যমেও হতে পারে গণোরিয়া রোগ। অর্থাৎ যে রোগ যৌন মিলন অথবা মুখমেহনের মাধ্যমে ছড়ায়, তা ফ্রেঞ্চ কিস করলেও পার্টনারের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিকও অনেক সময় সেক্ষেত্রে কাজে আসে না। তাই চুম্বনের আগে সাবধান। শুধু গণোরিয়াই নয়, আরও চার ধরনের রোগ শরীরে ঢুকতে পারে ফ্রেঞ্চ কিসের মাধ্যমে।

  • ভালবাসার মুহূর্তে সঙ্গীর সর্দিকাশি হয়েছে কিনা সেসব কি আর খেয়াল থাকে? সব ভুলে পরস্পরের মধ্যে ডুব দিয়েই তখন তৃপ্ত হতে চান দু’জনই। কিন্তু পার্টনারের যদি ঠান্ডা লেগে থাকে, তবে ফ্রেঞ্চ কিস করলে আপনার শরীরেও ঢুকে পড়ে সেই জীবাণু। কারণ ঠোঁটের গভীর চুম্বনে নাক ও গলায় বাসা বাঁধা ব্যাকটেরিয়ার আপনার মধ্যে ঢুকে পড়তে কোনও সমস্যা হয় না।

  • মুখের ভেতরের ইনফেকশনজনিত যে কোনো রোগ, ফোসকা, ওয়ার্ট ইত্যাদি একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে চুম্বনের ফলে। দাঁত ক্ষয়ের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া চুম্বনের মাধ্যমে একজনের মুখ থেকে অন্যের মুখে খুব সহজেই ছড়িয়ে যায়। যারা হেপাটাইটিস রোগে আক্রান্ত তাদের চুম্বনের মাধ্যমে অন্যের মুখে যে সালিভা প্রবেশ করে তার ফলে সুস্থ ব্যক্তিরও হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

Related Articles

Back to top button
Close