fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বন্য প্রাণীর হানাদারি রুখতে টঙ ঘরে কেটে যায় রাতের পর রাত

সুকুমার রঞ্জন সরকার, কুমারগ্রাম: ফসলের ক্ষেতে বন্য প্রাণীর হানা প্রতি বছর ঘটে। এবার লকডাউনের জেরে হানাদারি বেড়েছে কয়েকগুন। বুনোদের হানাদারি থেকে ভুট্টার ফসল বাঁচাতে তাই নজরদারির বহরও বেড়েছে। কুমারগ্রাম ব্লকের বেশীরভাগ এলাকায় রয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের সংরক্ষিত বনাঞ্চল।

বন লাগোয়া জমিতে ফসলের ক্ষেতে উঁচুমাচা বেঁধে রাতের বেলা পাহারা দিতে হয় জমির মালিককে। এই উঁচু মাচা টঙ ঘর নামে পরিচিত। চেংমারী গ্রামের ভুট্টা চাষী নিনাদ বর্মন জানান, এবছর সাত বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন। তার জমির পাশেই রয়েছে চেংমারি বন। লকডাউনের জেরে বনাঞ্চলগুলোতে বা আশেপাশে লোক চলাচল কম হওয়ায় এবছর বুনো হাতি, বাইসন, হরিন ও বানরের পালের পাশাপাশি ভুট্টা ক্ষেতে টিয়া পাখির ঝাকের হানাদারি বেড়ে গিয়েছে।

দিনের বেলায় টঙ ঘরে বসে বানর ও টিয়া পাখি তাড়াতে হয়। রাতে বুনো হাতি ও হরিণের পালের হানাদারি রুখতে পাহারা দিতে হয়। এভাবেই বুনোদের হানাদারি থেকে ফসল বাঁচাতে রাতের পর রাত কেটে যায় টঙ ঘরে বসে। বনদফতরের কর্মীরাও নজরদারি চালান।

বন লাগোয়া জমি থেকে বুনোদের হানাদারি বাঁচিয়ে ফসল ঘরে তোলা যে কতটা কঠিন তা একমাত্র বন লাগোয়া জমির মালিক বা চাষীরাই অনুভব করতে পারেন। টঙ ঘরেই যে থমকে থাকে তাদের জীবন।

Related Articles

Back to top button
Close