fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা : জিরিবাম পুলিশের আনাগোনা বন্ধ করতে সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষীপুর: বন্ধের সিদ্বান্ত নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে জিরিঘাটে। আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত থাকবেন সচেতন নাগরিক সহ ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছেন, জিরিঘাটের সমাজসেবী পান্না পাল, বাজার সমিতির সভাপতি বিমান নাগ ও সাধারন সম্পাদক কিশোর রায়। উল্লেখ্য, জিরিবাম পুলিশের এক এএসআই পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন জিরিঘাট বাজারে। জিরিবাম পুলিশের শরীরে করোনা পজিটিভ ধরা পরার তালিকায় ওই এএসআই-র নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সঙ্গে সঙ্গে লক্ষীপুর মহকুমা প্রশাসন ওই বাড়িটিকে সিল করে দেয়।

বিপরীতে বাজার সমিতি ও সচেতন নাগরিকরা করোনা মোকাবিলায় ঔষধালয় ছেড়ে সোমবার থেকে পনেরো জুলাই পর্যন্ত জিরিঘাটের দোকানপাট- হাটবাজার সবকিছু বন্ধ রাখার সিদ্বান্ত নেন। তাদের বক্তব্য ছিল, করোনা মোকাবিলায় লক্ষীপুর মহকুমার অসম -মনিপুর সিমান্ত বন্ধ থাকলেও জিরিবাম পুলিশের অবাধ বিচরণ ছিল জিরিঘাট বাজারে। যার ফলে করোনা মুকাবিলায় এই সিদ্বান্ত নিতে হয়েছে তাদের। যথারীতি সোমবার সকাল থেকে শুরু হয় বন্ধ প্রক্রিয়া। কিন্তু পনেরো জুলাই আর অতিক্রম হয় নি। এর আগেই বন্ধ প্রকৃয়া নিয়ে পুনরায় সভা ডাকতে হচ্ছে তাদের।

আজ পান্না পালরা জানান, সভায় এধরনের সিদ্বান্ত নেওয়া হলেও এখন সবাই বন্ধ সমর্থন করছেন না। যার ফলে শুক্রবার পুনরায় সভা করে বন্ধ প্রকৃয়া নিয়ে আলোচনা হবে। এরপরই সিদ্বান্ত নেওয়া হবে বন্ধ বলবত-প্রত্যাহারের।
অন্যদিকে, ভাড়া ঘরের মালিক মলয় সাহার ছেলে জানান, জিরিবামের এএসআই পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকলেও, এএসআই মাঝেমধ্যে ঘরে আসেন। করোনা পজিটিভ ধরা পরার অনেক আগে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে জিরিবামে কর্মরত ওই এএসআই-র শরীরে করোনা পজিটিভ ধরা পরার খবরে জিরিঘাট পুলিশ এসে ছদ্দ দিনের জন্য পুরো বাড়িকে সিল করে দেয়। এরপর থেকে মাঝেমধ্যে জিরিঘাট পুলিশ এসে খোঁজখবর নিলেও মহকুমা প্রশাসনের তরফে কোনো ধরনের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি চার জুলাই লক্ষীপুর হাসপাতালের চিকিত্সক দল এসে বাড়িতে থাকা ছয়ত্রিশ জনের সোয়াব সংগ্রহ করে নিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত সোয়াব পরীক্ষার ফলাফল আসেনি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঘর নির্মাণ করেছি ভাড়া দেওয়ার জন্য। কিন্তু করোনা মোকাবিলায় সিমান্ত বন্ধ থাকা সত্বেও জিরিবাম পুলিশকে কেন জিরিঘাটে আসতে দেওয়া হল ? সেই প্রশ্ন তুলেন তিনি। তার কথায়, আগে থেকে জিরিবাম পুলিশকে জিরিঘাটে আসতে দেওয়া না হলে করোনা মোকাবিলায় বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হত না।

Related Articles

Back to top button
Close