fbpx
কলকাতাহেডলাইন

পুরসভার অ্যান্টিজেন টেস্টে করোনা পজিটিভ ১০ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:  আইসিএমআর এর নির্দেশ অনুযায়ী কলকাতায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। পুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল এই অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে আধঘণ্টার মধ্যেই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে। সেই মত এদিন পরীক্ষার আধঘণ্টার মধ্যেই ১০ জনের রিপোর্ট এল পজেটিভ। এমনটাই খবর কলকাতা পুরসভা সূত্রে।
এদিন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের ওয়ার্ড থেকে এই টেস্টের সূচনা হয়। এদিন চেতলা ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের অহিন্দ্র মঞ্চ এই টেস্টর আয়োজন করা হয়। মোট ৫০ জন এর নমুনা সংগ্রহ করা হয়।জানা গিয়েছে, এই ৫০ জনের মধ্যে যে ১০ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে, ইতিমধ্যেই তাদের নাম-ঠিকানা স্বাস্থ্য দফতরের কাছে জানানো হয়েছে। ওই ১০ জনের সংস্পর্শে কারা এসেছিল তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুরসভা।
শুধুমাত্র কলকাতা পুরসভাতেই নয়, এদিন এই নতুন কিটের ব্যবহার হয় রাজ্যের অন্যত্রও। এই নতুন কিটে একসঙ্গে ৮ জনের পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে রিপোর্টও আসছে চটজলদি। ৩০ থেকে মাত্র ৪০ মিনিটেই টেস্টের ফল মিলছে। এর দ্বারা দ্রুত সংক্রমিত দের চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে সংক্রমণ দ্রুত রুখে দেওয়া যাবে বলেই আশাবাদী কলকাতা পুরসভা।
কলকাতা পৌরসভার অন্তর্গত প্রতিটি বরো এলাকায় তিনটি করে এ ধরনের ক্যাম্প করা হবে। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন এই সমস্ত এলাকার মানুষজনের শরীরে অ্যান্টিবডির মাত্রা দেখা হবে। যদি কারোর শরীরে এন্টিজেন এর মাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা উপস্থিতি চোখে পড়ে, তবে তাকে চিহ্নিত করে করনা টেস্টের জন্য পাঠানো হবে। এভাবেই শহর কলকাতা বিভিন্ন প্রান্ত জুড়ে সংক্রমিত ব্যক্তির সঠিক তথ্যের তালিকা উঠে আসবে বলেও জানান কলকাতা পুরসভার বর্তমান প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম
এবিষয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর অন্যতম সদস্য অতীন ঘোষ জানান, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ১৬টি বরোতে পাকাপাকি ভাবে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এই কেন্দ্রগুলিতে প্রতিদিন গড়ে ৫০টি করে টেস্ট করা যাবে। পুরসভা সূত্রে খবর, প্রথম অবস্থায় পঞ্চাশটি করে টেস্ট করা হলেও ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে টেস্ট এর পরিমাণ। সম্পন্ন পরিকাঠামো গড়ে উঠলে প্রত্যেক বরতে এডমিনের ৪০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। একইভাবে ১৬টি বরোতে প্রত্যেকদিন গড়ে ৬৪০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। এই পরীক্ষার ফলে সহজেই সংক্রমিতদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে। ফলে গোষ্ঠী সংক্রমণ অনেকটাই রোখা যাবে বলে আশাবাদী পুরকর্তৃপক্ষ।

Related Articles

Back to top button
Close