fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা আবহে ফুলহার নদী জলে বন্যার ভ্রুকুটি

মিল্টন পাল, মালদা: একদিকে করোনা, অন্যদিকে ফুলহার নদী জলে বন্যার ভ্রুকুটির ষাঁড়াশী আক্রামণ মালদায়।  মালদার  হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকে নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা।  একদিকে করোনা আতঙ্ক, অন্যদিকে ফুলহার নদীর জলে ডুবে রয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। চরম সংকটের মুখে কয়েক হাজার মানুষ। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করে সমস্যার কথা শুনলেন হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মালদা জেলা পরিষদের শিশু, নারী ও ত্রাণ কর্মাধ্যক্ষ মর্জিনা খাতুন।

এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি সমস্ত রকম ভাবে ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ফুলহার নদীর জলে গত ১০ দিনের বেশি সময় ধরে ডুবে রয়েছে হরিশচন্দ্রপুর ২ ব্লকের  ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রশিদপুর, উত্তর ঢাকুরিয়া, দক্ষিণ ঢাকুরিয়া, মিরপাড়া, তাতিপাড়া সহ দশটি গ্রাম। এই দশটি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বন্যার জলের নিচে। সবথেকে সমস্যায় পড়েছে প্লাবিত এলাকার বাসিন্দারা। তার উপর বিষধর সাপের উৎপাত এবং করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক তো আছেই। সবমলিয়ে জেরবার এইসব প্লাবিত এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।

[আরও পড়ুন- শ্রাবণেও চাতকের দশা দক্ষিণবঙ্গের, ভারী বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই মিলবে না উত্তরবঙ্গের]

মালদা জেলা পরিষদের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের নির্বাচিত সদস্য তথা শিশু ও নারী ত্রাণ কর্মাধ্যক্ষ মর্জিনা খাতুন বলেন, এই পরিস্থিতিতে এলাকায় এখন বেশি করে নৌকার প্রয়োজন‌। বন্যার জেরে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি বন্ধ রয়েছে। সাপের উপদ্রব বেড়েছে। এ বিষয়ে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। পাশাপাশি প্লাবিত এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার কথা ও প্রশাসনকে জানিয়েছি। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের বিডিও প্রীতম সাহা জানিয়েছেন যে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করার উদ্যোগ নেওয়া   জেলা পরিষদ সদস্য এই নিয়ে কথাও হয়েছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close