fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আসানসোল জেলা হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার ট্রুনেট মেশিন বিকল, বাড়ছে দুর্ভোগ

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: করোনার জন্য লালারস পরীক্ষার আসানসোল জেলা হাসপাতালের ” ট্রুনেট ” বিকল হয়ে গেছে। জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪৮ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে এই মেশিনটি খারাপ হয়ে রয়েছে। হাসপাতালের তরফে স্বাস্থ্য দপ্তরকে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মেশিন খারাপ হওয়ার কথা আইসিএমআরকে জানানো হয়েছে। তবে এই মেশিন কবে ঠিক করা হবে, তা স্বাস্থ্য দপ্তর জানাতে পারেনি।

স্বাস্থ্য দপ্তরের অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, করোনার সংক্রমণের কথা ভেবে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ট্রনেটের পরিবর্তে ” আরসিপিটিআর ” বসানো নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে৷ গোটা বিষয়টি আইসিএমআরকেও জানানো হয়েছে।

এদিকে, জেলা হাসপাতালের করোনা পরীক্ষার মেশিন খারাপ হয়ে যাওয়ায়, লালারস দূর্গাপুরের কোভিড ১৯ হাসপাতাল ও বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলে জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। এরজন্য রিপোর্ট আসতে দেরী হচ্ছে৷ ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই চাপ বেড়েছে আসানসোল জেলা হাসপাতালেরও। কেননা, এতদিন প্রাথমিক ভাবে, কারোর লালারস নিয়ে তা ট্রুনেটে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সন্ধ্যার মধ্যে তার রিপোর্ট হাতে নিয়ে রোগীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলো জেলা হাসপাতাল কতৃপক্ষ। এখন তার আর সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতাল কতৃপক্ষকে ২ থেকে ৩ দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে আসানসোল জেলা হাসপাতালের প্যাথোলজি বিভাগে ট্রুনেট মেশিনে লালারস পরীক্ষা শুরু করা হয়েছিলো। এখনো পর্যন্ত ১২৬৫ টি লালারসের নমুনা এখানে পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে, আসানসোল জেলা হাসপাতালের আইসোলেশান ওয়ার্ডে গত দুদিনে আরো ২ জন রোগীর মৃত্যু হয়। তার মধ্যে কুলটি এলসি মোড় এলাকার বাসিন্দা বছর ৫৫ এর এক মহিলার লালারসের পরীক্ষার রিপোর্ট রবিবার পজিটিভ এসেছে বলে জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। শনিবার তার মৃত্যু হয়।

এদিকে রবিবার সকালে আইসোলেশান ওয়ার্ডে হিরাপুর থানার বার্ণপুরের ধ্রুবডাঙ্গার এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তার লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট না আসায় মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। এদিন জেলা হাসপাতালের আইসোলেশান ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা তিনজনের লালারসের পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সন্ধ্যায় তাদেরকে দূর্গাপুর কোভিড ১৯ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close