fbpx
কলকাতাহেডলাইন

করোনা: পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীদের উৎসাহ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ছেন পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজেও তারাও সহযোগিতা করছেন। তাই এবার এ বার পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীদের উৎসাহ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এমনকি দৈনিক ভাতার ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবকও নিয়োগ করতে পারবে পুরসভা। শনিবার স্বাস্থ্য দফতর এই নির্দেশিকা জারি করেছে।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সহ কত সংখ্যক জ্বর, শ্বাসকষ্টের রোগী কতজন রয়েছেন, ডেঙ্গু-ইনফ্লুয়েঞ্জার সমস্ত রোগীদের আলাদা করতে দু’ধরনের পদ্ধতি বার করেছে রাজ্য। সিভিয়র অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইলনেস (সারি) এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা লাইক ইলনেস (আইএলআই) রোগীদের চিহ্নিত করার জন্য বাড়ি-বাড়ি যাচ্ছেন পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই পার্থক্যটুকু করে দেওয়ার কারণে করোনা রোগীদের চিহ্নিতকরণে অনেকটাই সুবিধা হচ্ছে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের। সেই কারণে তাঁদেরই অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা উৎসাহ ভাতার অনুমোদন দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের (সিএমওএইচ) মাধ্যমে তা জেলায় পৌঁছবে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, ওই কাজের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি দেখা দিলে পুরসভা স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে পারে। স্বেচ্ছাসেবকেরা দৈনিক ৭৫ টাকা ভাতা পাবেন। তারা মাসে সর্বাধিক ২২ দিন কাজ করতে পারবেন। পুরসভার পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যবহার করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: পরিযায়ী শ্রমিকদের গতিবিধি নিয়ে কেন্দ্রের নয়া তৎপরতা শুরু

উল্লেখ্য, ২৭ এপ্রিল রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর ও জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছিল, করোনা মোকাবিলায় কাজ করার জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে থাকা রাজ্যের পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীদের ইনসেনটিভ তথা উৎসাহ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বেতন বাদে এপ্রিল ও মে মাসে তাঁদের ১০০০ টাকা করে ইনসেনটিভ দেওয়া হবে। এতে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভার ৬ হাজার ৩৩৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী উপকৃত হবেন। এই ইনসেনটিভ দেওয়ার জন্য ১ কোটি ২৬ লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা বরাদ্দও করেছে রাজ্য সরকার। সব পুরকর্মীদের জন্যই হাজার টাকা উৎসাহ ভাতার অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।

Related Articles

Back to top button
Close