fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণবিজ্ঞান-প্রযুক্তিহেডলাইন

আঁধার শেষে আলোর রেখা! মানবদেহে প্রয়োগ হল করোনার ভ্যাকসিন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  বিশ্বজুড়ে করোনা ত্রাসের ত্রস্ত সভ্যতা। ‌ সাইরাসের দাপটে প্রতিদিনই পৃথিবীজুড়ে প্রাণ হারাচ্ছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। মানুষের এই চরম অসহায়তায় একটাই প্রশ্ন খুঁজে চলেছে কি হবে ভবিষ্যৎ? ‌ কবে আসবে সেই প্রতিষেধক ভ্যাকসিন? আদৌ কি মুক্তি পাওয়া যাবে এই মহামারীর থেকে? এই হাজারো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কিন্তু নেমে পড়েছিলেন পৃথিবীর বিশিষ্ট বিজ্ঞানীরা।  ভ্যাকসিনেরই যে এক মাত্র  এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷ কিন্তু বিজ্ঞানীরা কবে সেই লড়াইয়ের সরঞ্জাম তৈরি করতে পারবে, সেটাই এই লাখ টাকার প্রশ্ন৷  যদিও সব কিছুর মধ্যেও এবার আশা দেখাচ্ছে লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়৷ কারণ সেখানে শুরু হল মানবদেহে পরীক্ষা-নিরীক্ষা৷ বিজ্ঞানীদের আশা সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফল মিলবে।

সব প্রশ্নের পর এবার পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করা হলো করোনার প্রতিষেধক।‌ ইংল্যান্ডের 800 জন ভলান্টিয়ার এর উপর প্রয়োগ হয় এই ভ্যাকসিন। বিজ্ঞানী আলিসা গ্রান্থোর ওপরই প্রথম প্রয়োগ করা হলো ভ্যাকসিনটি তিনি নিজেই এই প্রয়োগের জন্য্য এগিয়ে এসেছিলেন। ‌

অক্সফোর্ড যে ভ্যাকসিনটি তৈরি করতে চলেছে তার নাম দেওয়া হয়েছে চ্যাডক্স১৷ কীভাবে কাজ করবে এই ভ্যাকসিন? জানা যাচ্ছে যে এটি সাধারণ সর্দি-কাশির-জ্বরের ভাইরাস (যাকে অ্যাডিনোভাইরাস বলা হয়) যা শিম্পাঞ্জিদের থেকে তৈরি হয়৷ মারণ করোনভাইরাসের উপরে থাকা প্রোটিন থেকে বিজ্ঞানীরা নিয়েছেন জিন এবং তা মেশানো হয়েছে এমন ভাইরাসের সঙ্গে যা শরীরে কোনও ক্ষতি করবে না৷ এর থেকেই ভ্যাকসিন তৈরি হবে৷ এই রসটি মানব দেহে ইনজেক্ট করা হচ্ছে৷ মানুষে দেহে প্রবেশ করে তা করোনাভাইরাস স্পাইক প্রোটিন তৈরি করবে এই রস৷ এরাই আবার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে অ্যান্টিবডি তৈরি করে মারণ করোনার সঙ্গে লড়াই চালাবে৷
যেই বিজ্ঞানীরা এই পরীক্ষায় সামিল হয়েছেন, তারা হলেন সারা সিলবার্ট, অ্যান্ড্রু পোলার্ড, স্যান্ডি ডগলাস, টেরেসা ল্যাম্ব, অ্যাড্রিয়ান হিল

Related Articles

Back to top button
Close