fbpx
অফবিটগুরুত্বপূর্ণলাইফস্টাইলহেডলাইন

করোনা ভাইরাস: বাইরের খাবারে সতর্কতা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: খাবার থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মুখনিঃসৃত তরল কণার মাধ্যমে এই রোগের সংক্রমণ ঘটে। ঠিক এ কারণেই রেস্তোরাঁ, হোটেলে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। আসুন জেনে নিই বাইরের খাবারের ক্ষেত্রে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করা যায়

১- হোটেল-রেস্তোরাঁ বা কাজের জায়গায় প্রবেশের আগে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে কনুই পর্যন্ত। রেস্তোরাঁর কর্মী ও বিক্রেতার মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লাভস থাকতে হবে।

২- খাবার প্রস্তুতের জায়গা হতে হবে খোলামেলা, কর্মীদের পারস্পরিক দূরত্ব থাকতে হবে কমপক্ষে ৩ ফুট।

৩- মুখোমুখি হয়ে কাজ করা চলবে না। সবাই একই দিকে মুখ করে কাজ করবেন। এক সারির পেছনে আরেক সারি থাকলে সে ক্ষেত্রেও সবাই একই দিকে মুখ করে কাজ করবেন।

৪- যেকোনো ড্রয়ার, হাতল ধরার আগে-পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করে নিতে হবে।

৫- দৃশ্যমান জায়গায় পালনীয় স্বাস্থ্যবিধি এবং করোনার উপসর্গগুলো লিখিত ও ছবির মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে, যাতে সবাই সেটা দেখে-পড়ে সতর্ক হতে পারেন।

৬- খাবার প্রস্তুতের পর তা দ্রুত প্যাকেটজাত করে ফেলতে হবে। প্রদর্শনের জন্য খোলা জায়গায় নয়, কাচঘেরা শোকেসে খাবার রাখতে হবে।

৭- যাঁরা খাদ্যদ্রব্য কিনতে আসবেন, তাঁরা আগে থেকেই তালিকা করে আনবেন। এরপর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাবারের সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় অপেক্ষা করবেন। কাউন্টারে ভিড় করা চলবে না।

৮- টাকাপয়সা লেনদেনের ক্ষেত্রে মুঠোফোনে আর্থিক লেনদেনের অ্যাপ অথবা ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। টাকা স্পর্শ করে সেই হাত দিয়ে খাবার ডেলিভারি দেওয়া বা নেওয়া যাবে না।

৯- অর্ডারের ভিত্তিতে বাড়িতে বা অন্য কোথাও খাবার ডেলিভারির ক্ষেত্রে প্যাকেটগুলো একজন গাড়িতে ওঠাবেন এবং আরেকজন দূরত্ব বজায় রেখে তা তদারক করবেন।

১০- খাবার ডেলিভারি দেওয়ার সময় আগে থেকেই প্যাকেটগুলো কোথায় রাখতে হবে জেনে নিন এবং টাকাপয়সা লেনদেনও একইভাবে দূরত্ব বজায় রেখে করবেন।

১১- আর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল যে, রেস্তোরাঁর মেঝে, কাউন্টার বা যেসব জায়গায় ঘন ঘন হাতের স্পর্শ লাগে, সেসব জায়গা নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

Related Articles

Back to top button
Close