fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আড়াই ঘন্টা ধরে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করছেন করোনা পজিটিভ গর্ভবতী, ঘুরেও দেখলো না হাসপাতাল

তারক হরি, পশ্চিম মেদিনীপুর: অসহ্য প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করছেন করোনা পজিটিভ গর্ভবতী, তবুও উদাসীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, এমনই এক চরম অব্যবস্থার অভিযোগ উঠল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রীতিমত আতঙ্ক ছড়ায় অন্যান্য রোগী এবং আত্মীয়দের মধ্যেও। একজন গর্ভবতী মহিলা করোনা আক্রান্ত। করোনা আক্রান্তের কারণেই হাসপাতালে ভর্তি হতে দেরি হয়।

জানা গিয়েছে চন্দ্রকোনার ১ নম্বর ব্লকের মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছায়া মল্লিক দে। তার বয়স ২০ বছর। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে সোমবার তিনি ক্ষীরপাই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি হন। সেখানে তাঁর অ্যান্টিজেন টেস্ট হলে তাতে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপরেই তাঁকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়।
মহিলাটি প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা হাসপাতালের গর্ভবতী ও নবজাতকদের বিভাগ ‘মাতৃমা ভবন’এর সামনে অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি হাসপাতালে কোনো স্বাস্থ্যকর্মী। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরে অবশ্য উনাকে গর্ভবতী ওয়ার্ডে ভর্তি করে হাসপাতাল।

তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এই প্রসঙ্গে মৃগেনবাবুকে প্রশ্ন করা হয়, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলেন, “জেলায় চিকিৎসা পরিষেবা উন্নত।” তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ জেলা প্রশসন এবং জেলা নেতৃত্ব মানছে না? উত্তরে মৃগেনবাবু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ভালো মানুষ। তিনি কলকাতা থেকে নির্দেশ দেন। জেলায় সবাই সেটা মানে না। তাই এমন ঘটনা ঘটছে। তাছাড়া মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামো ভালো। কিন্তু ভালো ডাক্তার নেই। যারা আছেন তাঁরা ছুটিতে গেলে আসতে চান না। তাই এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি ভালো হয়নি। আমি খোঁজ নিচ্ছি।”

Related Articles

Back to top button
Close