fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মহামারীর সুযোগে করোনার তথ্য গায়েব, মৃতদেহ লোপাট, চাল চুরি চালাচ্ছে তৃণমূল!  বিস্ফোরক জগন্নাথ সরকার

রক্তিম দাশ: বাংলায় করোনা মহামারীর সুযোগ নিয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য গায়েব, মৃতদেহ লোপাট থেকে চাল চুরির মতো অনৈতিক কাজকর্ম চালাচ্ছে তৃণমূল! এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপির রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

যুগশঙ্খকে জগন্নাথ সরকার বলেন,‘ রাজ্য প্রশাসন থেকে তৃণমূল সব আজ চোরে পরিণিত হয়েছে। মহামারী সুযোগ নিয়ে লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে করোনা তথ্য গায়েব, মৃতদেহ লোপাট, চাল চুরি সবই অবাধে চলছে। একসময় মুখ্যমন্ত্রী  ‘আমরা চোর’ বলে মিছিল করেছিলেন সারদায় তৃণমূলকে মিথ্যা জড়ানো হচ্ছে বলে। আজ  সেদিনের কথাগুলো তিনি প্রমাণ করে দিলেন রাজ্যবাসীর কাছে।’

জগন্নাথবাবু এদিন কেন্দ্র সরকারের চাল চুরির অভিযোগ করে বলেন,‘ শনিবার আমি নিজে হাতে নাতে নদিয়ার হবিবপুরে শ্রীকৃষ্ণ রাইসমিলে চাল চুরি ধরেছি। ওই রাইসমিলের মালিক কিশোর সাউকে দিয়ে তৃণমূলের নেতার কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো চাল চুরি করছিল।’

এবিষয়ে তিনি আরও বলেন,‘ ওই রাইস মিলে কেন্দ্র সরকারের স্বচ্ছ ভারতের লোগো দেওয়া বস্তার চাল পাওয়া প্রচুর পরিমানে মজুত করা ছিল। পরে ওই চালই বার করে তারপর বস্তার মধ্যে খারাপ চাল ভরা হবে। যাতে কেন্দ্র সরকারে বদনাম করা যায়। আর ভালো চাল সরিয়ে নেওয়া হবে কালোবাজারী করার জন্য। তারপর অনুব্রত মন্ডলের মতো নেতারা খারাপ চাল বার করে সাংবাদিকদের দেখাবেন আর বলবেন, মোদি সরকার খারাপ চাল দিয়েছে।’

রেশনে সরকারি ঘোষণা অনুসারে চাল-ডাল কম দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করে বিজেপির এই সাংসদ বলেন,‘ জনগণকে রেশনে চাল-ডাল কম দিতে ডিলারদের বাধ্য করছে স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। তাঁরা চাল তুলে নিচ্ছে রেশন ডিলারদের হুমকি দিয়ে। ইতিমধ্যে দুর্নীতির কারণে বাংলা জুড়ে ২৬৩ জন রেশন ডিলারের লাইসেন্স রদ করা হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রকৃত দোষীদের আড়াল করে রেশনডিলারদের বধ করল মমতা সরকার।’

‘কেন্দ্রীয় সরকার যদি বিভিন্ন যোজনার টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে না পাঠাত তাহলে তা বাংলার গরীবমানুষের কাছে পৌঁছত না। দিদির বাহিনী সব লুটপাট করে খেয়ে নিত!’ বলেও এদিন মন্তব্য করেন জগন্নাথ সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে জগন্নাথবাবু বলেন,‘ উনি বার বার বলেন যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর কথা। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে বিরোধিতা করেন। সিবিআই তদন্তে এলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। কিন্তু বাংলায় বিজেপি সাংসদরা যখন ত্রাণ দিতে যান তখন উনি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভুলে যান। স্বাস্থ্য ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে সেটা তিনি ভুলে গিয়ে কেন্দ্রীয় টিমের বিরোধিতা করছেন।’

Related Articles

Back to top button
Close