fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দুঃস্থ, দুর্গতদের পাশে ত্রাণের পসরা নিয়ে এবার এবিটিএ’র শিক্ষকরা

শান্তনু অধিকারী, সবং: এ যেন ‘শ্যাম রাখি না কূল রাখি’ অবস্থা! কী সরকার, কী সাধারণ মানুষ― সকলেই আজ উভয় সংকটে। একদিকে মারণ ভাইরাস করোনার আতঙ্ক। ঘরের বাইরে পা ফেলা বারন। অন্যদিকে ঘরবন্দি থাকলে রোজগার হারিয়ে অনাহারের আতঙ্ক। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের বিভীষিকা। এই লকডাউনের বাজারে সবচেয়ে দুর্দশায় পড়েছেন সমাজের দিন আনা দিন খাওয়া প্রান্তিক মানুষেরা।

রীতিমতো চরম বিপর্যয়ের ঘন অন্ধকারে দিশা হারিয়েছে তাঁদের জীবনতরী। এই পরিস্থিতিতে সরকারের পাশাপাশি অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এগিয়ে এসেছে সেই সকল দুর্গত মানুষজনের পাশে দাঁড়াতে। অনেকে ব্যক্তিগতভাবেও উদ্যোগী হয়েছেন। এবার এগিয়ে এলেন শিক্ষকসমাজও। শিক্ষকসংগঠন এবিটিএ’র সবং পশ্চিম শাখার উদ্যোগে শুরু হয়েছে ত্রাণ বিতরণ।

সবং এলাকায় বাগবেড়িয়া, বলরামপুর, ডাঙাবাড়ি, পরশুরামপুর প্রভৃতি গ্রামের সত্তরটি পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ৩নং অঞ্চলের দন্ডরা গ্রামের প্রায় পঞ্চাশটি দুর্গত পরিবার ত্রাণ পেলেন। এবিটিএ’র পক্ষে নকুল বেরা জানালেন, চারদিন ধরে সবং ব্লকের বিভিন্ন গ্রামের আনুমানিক তিনশো পরিবারের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা তাঁরা গ্রহণ করেছেন। আগামী দু’দিন ১ ও ২নং অঞ্চলের মালপাড়, ভুয়া, বড়সাহড়া, আন্দুলিয়া, দেভোগ, উচিৎপুর, শ্রীরামপুর প্রভৃতি গ্রামে ত্রানসামগ্রী বিতরণ করা হবে।

নকুলবাবু জানালেন, সংগঠনের সদস্যরাই এলাকাভিত্তিক সমীক্ষার মাধ্যমে দুর্গতদের তালিকা প্রস্তুত করেছেন। সদস্যদের আর্থিক সাহায্যেই গড়া হয়েছে তহবিল। সেই তহবিলের অর্থেই চলছে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ। প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে আলু, পেঁয়াজ, সরষাতেল, ডাল, মুড়ি-সহ প্রায় দশদফা নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। এদিন দণ্ডরাতে ত্রাণবিলির কর্মসূচিতে সংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন নকুল বেরা, রুদ্রপ্রসাদ ভট্টাচার্য, গোকুল মণ্ডল, যাদব লায়া প্রমুখরা। ‘সামাজিক দূরত্ববিধি কঠোরভাবে মেনেই চলছে ত্রাণবিলি,’ বললেন রুদ্রপ্রসাদ ভট্টাচার্য।

Related Articles

Back to top button
Close