fbpx
হেডলাইন

করোনা আবহে গুজরাতে বন্ধ ‘গরবা’

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা সংক্রমণের মাঝেই কেরলে আয়োজিত হয়েছিল ‘‌ওনাম’। তারপরই দক্ষিণের ওই রাজ্যে লাফিয়ে বাড়তে থাকে সংক্রমণের গ্রাফ। করোনার প্রভাব পড়েছে সব অনুষ্ঠানে। মহারাষ্ট্রের গণপতি উত্‍সব থেকে শুরু করে ইদ, সবকিছুই এবার করতে হয়েছে অনেক কম আড়ম্বরে। মানতে হয়েছে একাধিক নিয়ম। সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উত্‍সব দুর্গাপুজোকে ঘিরেও একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যেই এবার গুজরাত সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, নবরাত্রি উপলক্ষ্যে হওয়া গরবা এবছর বন্ধ থাকবে।

এবার উৎসব আয়োজনের ঝুঁকি নিল না গুজরাট সরকার। করোনা আবহে চলতি বছরের জন্য বাতিল করা হল নবরাত্রির বিখ্যাত ‘‌গরবা’‌। এছাড়া পুজো হলেও মানতে হবে একাধিক বিধিনিষেধ। শুক্রবার নির্দেশিকা জারি করে একথা জানিয়েছে বিজয় রূপানি সরকার। ১৬ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে এই নির্দেশিকা।

এদিনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, করোনা  পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবছর ছোট–বড়–মাঝারি কোনও গরবার অনুষ্ঠানই আয়োজন করা যাবে না। নবরাত্রি উদযাপনের সময় সর্বজনীন স্থানে প্রতিমা স্থাপন করা গেলেও, সেই প্রতিমা স্পর্শ বা প্রসাদ বিতরণ করা যাবে না। দুর্গা পুজো , দশেরা , ভাইফোঁটা  সবাই যেন নিজের নিজের বাড়িতেই পালন করেন। এছাড়া কনটেইনমেন্ট জোন  বাদ দিয়ে সামাজিক, শিক্ষামূলক, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ক্রিয়াকলাপ, ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিও কিছু শর্তসাপেক্ষে আয়োজন করা যাবে।

আরও জানানো হয়েছে, নবরাত্রি উত্‍সবে পুজো করা যাবে। কিন্তু সেখানেও অনেক কাটছাঁট করা হয়েছে। যেমন প্রতিমা কেউ স্পর্শ করতে পারবেন না। প্রসাদ বিতরণ করা যাবে না। একসঙ্গে কোথাও বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। দর্শনার্থীদের মাস্ক পরে আসতে হবে। এছাড়া পুজো মণ্ডপ যাতে স্যানিটাইজ করা থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে উদ্যোক্তাদের। শুধু নবরাত্রি নয়, দুর্গাপুজো, দশেরাতেও এইসব নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রতি বছর এই নবরাত্রি ও দশেরা উপলক্ষ্য অনেক রকমের আয়োজন করা হয় গোটা গুজরাত জুড়ে। এবছর তাতেও কাটছাঁট হয়েছে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

আরও পড়ুন: কাটমানি আছে, গণতন্ত্র নেই! তৃণমূলকে কটাক্ষ তেজস্বীর… সোনার বাংলা গড়ার ডাক

অনুষ্ঠান এক ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে হবে। যেখানে দর্শকরা বসবেন, সেখানেও ছয় ফুটের সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে। যদি কোথাও দাঁড়ানোর ব্যবস্থা থাকে সেখানেও দাঁড়ানোর জায়গা গোল মার্ক করে দিতে হবে। তার মধ্যেই দাঁড়াতে হবে দর্শকদের। সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এইসব অনুষ্ঠানে যেসব দর্শক আসবেন তাঁদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। তাছাড়া থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে পরীক্ষা করার পরেই অনুষ্ঠানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে সবাইকে। ভিতরে বসার জায়গা থেকে শুরু করে মঞ্চ, সব যেন ভাল করে স্যানিটাইজড করা থাকে। তবে ১০ বছরের ছোট ও ৬৫ বছরের বেশি কাউকে অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেওয়া চলবে না। অনুষ্ঠান চলাকালীন থুতু ফেলা অপরাধ বলে বিবেচিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া অন্তঃসত্ত্বাদেরও এই জাতীয় ইভেন্টগুলিতে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মূলত করোনা সংক্রমণ যাতে কোনওভাবে উৎসবের কারণে না ছড়ায় তাই এই নির্দেশিকা, জানিয়েছে গুজরাট সরকার।

Related Articles

Back to top button
Close