fbpx
কলকাতাহেডলাইন

করোনার থাবা ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয়, টানেল ইনচার্জ-সহ ৩০কর্মী আক্রান্ত, বন্ধ কাজ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বন্ধ ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ। ধর্মতলা থেকে বউবাজার অংশে মেট্রোর সুড়ঙ্গ নির্মাণের যারা কাজ করছিলেন তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ জন কর্মী-আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এর ফলে আগামী ১০ দিন টানেল খোঁড়ার কাজ বন্ধ।আক্রান্ত টানেল ইনচার্জও। যার জেরে দীর্ঘদিন পর কাজ শুরু হয়েও একমাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে গেল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ। প্রায় ১৫০ জন কর্মীকে পাঠানো হল কোয়ারেন্টাইনে। কাজ ফের কবে শুরু হবে, তা অজানা।

গত বছর মেট্রোর সুড়ঙ্গ তৈরির সময় বউবাজারে ভেঙে পড়ে একের পর এক বাড়ি। তার জেরে দুটি টানেল তৈরির কাজ আটকে যায়। একটি টানেল বোরিং মেশিন চান্ডি এখনও মাটির নীচে বউবাজারে আটকে আছে। অপর টানেল বোরিং মেশিন উর্বী টানেল খোঁড়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। লকডাউনের জন্যে সেই কাজ দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকে। অবশেষে অনুমতি পেয়ে সেই কাজ শুরু হলেও তা ফের থমকে গেল।

লকডাউনের  জেরে দীর্ঘদিন ধরে থমকে ছিল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ। আনলক ওয়ানে  জুনের ১৫ তারিখ থেকে কাজ শুরু হয়। নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজে নামেন কর্মীরা। রেললাইন পাতার জন্য সুইডেন থেকে পাতও এসেছিল। কিন্তু কাজ খানিক এগোতে না এগোতেই ফের বাধা। ইস্ট-ওয়েস্টের সুড়ঙ্গে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী, টানেল ইনচার্জ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া গত কয়েকদিনে প্রায় ৩০ জন কর্মী করোনা পজিটিভ হয়েছেন। ১৫০জনকে পাঠানো হয়েছে কোয়ারেন্টাইনে, তাঁদেরও করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা নেওয়া হয়েছে। এরপর টানেল ইনচার্জ করোনা পজিটিভ হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আপাতত কাজ বন্ধ থাকবে। বাকি দেড়শো জনের করোনা রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কাজ হবে না বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন: ভোটবাক্সে প্রতিশোধ নেবে রায়গঞ্জবাসী!

এর মধ্যে কে এম আর সি এল’এর আধিকারিকরা যেমন রয়েছেন তেমনি রয়েছেন নির্মাণ সংস্থার আধিকারিকরাও। মোট ৩ শিফটে এই কাজ করা হত। মাটির নীচে যে তাপমাত্রা তাতে কারও পক্ষে পিপিই পড়ে কাজ করা সম্ভব নয়। ফলে মাটির ২৫ মিটার নীচে নামার আগে তাদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হতো। মাস্ক ও গ্লাভস বাধ্যতামূলক সেখানে। কোভিড পরিস্থিতিতে তা আরও গ্রহণযোগ্য ছিল। এছাড়া স্যানিটাইজার ঘন ঘন ব্যবহার হতো। মাটির নীচে ওই জায়গায় যতটা দুরত্ব বজায় রাখা সম্ভব ততটা রেখেই কাজ চলত। এর পরেও কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হল সংস্থাকে।

Related Articles

Back to top button
Close