fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

করোনার নয়া স্ট্রেন ‘নিওকভ’এর খোঁজ মিলল, উদ্বেগে গবেষকরা

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্কঃ ওমিক্রনের পরে ফের মিলল করোনা নয়া স্ট্রেনের খোঁজ। নাম ‘নিওকভ’। করোনার উৎপত্তিস্থানে ফের আতঙ্ক। বিপজ্জনক স্ট্রেনের খোঁজ দিলেন চিনের উহান শহরের গবেষকরা। উহানের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘নিওকভ’ নামের নয়া করোনার স্ট্রেনের খোঁজ পেয়েছেন। যা কিনা আগের সব স্ট্রেনের থেকে বিপজ্জনক।

যদিও এই নিওকভ নতুন ভাইরাস নয়। এটা মিডল-ইস্ট রেসপিরেটারি সিনড্রোম ভাইরাসের সঙ্গে যুক্ত। ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এই ভাইরাসের সংক্রমণ চোখে পড়ত। এই ভাইরাসটি সাধারণত মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটায় না। মূলত, পশুপাখির শরীরেই এর সংক্রমণ দেখা যেত। প্রথমে এই ভাইরাসটি বাদুড়ের শরীরে সংক্রমণ ঘটায়।

কিন্তু একটি জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উহানের গবেষকরা দাবি করেছেন, এই নিওকভ এবং এর ‘নিকটাত্মীয়’ PDF-2180-CoV মানুষের শরীরেও সংক্রমণ শুরু করেছে। বাদুড় থেকে উটের শরীর হয়ে এই ভাইরাসটি মানুষের শরীরের সংক্রমিত হচ্ছে।

উহান বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেসের গবেষকদের দাবি আর মাত্র একবার মিউটেশন হলেই এই ভাইরাসটি মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।  এই ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রমণ শুরু করলে করোনার কোনও অ্যান্টিবডি বা কোনও ভ্যাকসিন সেটাকে রুখতে পারবে না।

চিনা বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই নতুন ভাইরাসের স্ট্রেনটির মধ্যে মার্স হাই-কোভ এর মারণক্ষমতা এবং এবং করোনার মতো সংক্রমণ ক্ষমতা থাকবে। যা এককথায় ভয়ঙ্কর।

নতুন এই নিয়োকোভ স্ট্রেনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিক হল এর মারণক্ষমতা। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই ভাইরাসে মৃত্যুহার ৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি তিনজন সংক্রমিতের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। এর উপসর্গও করোনার সাধারণ উপসর্গের মতো। নতুন এই ভাইরাসে সংক্রমিত হলেও সাধারণ জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা যেতে পারে।

করোনার পর ওমিক্রন নিয়ে জেরবার গোটা বিশ্ব। ফের নয়া স্ট্রেনে আগমন ক্রমশ চিন্তা বাড়িয়ে তুলছে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close