fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

শুরু কাউন্ট-ডাউন, আর কয়েকঘন্টার মধ্যেই মাটিতে মিশে যাবে টুইন টাওয়ার, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: অপেক্ষা আর কয়েক ঘন্টার। শুরু হয়ে গেছে কাউন্টডাউন। আর কিছুক্ষণ পরেই নয়ডার যমজ অট্টালিকা (টুইন টাওয়ার) গুড়িয়ে দেওয়া হবে মাটির সঙ্গে। কুতব মিনারের থেকেও উঁচু এই বহুতল ভবন ভাঙা ঘিরে নয়ডায় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। দুপুর আড়াইটে নাগাদ এই কাজ শুরু হবে। তিন হাজার ৭০০ কেজি বিস্ফোরক দিয়ে মাত্র ৯ সেকেন্ডেই গুঁড়িয়ে ফেলা হবে এই বিশালাকার বহুতল। যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বহু মানুষ এই টুইন টাওয়ারের সামনে তাকে শেষ বারের মতো মুঠোফোন বন্দি করে রাখতে চাইছেন। অনেকেই আজ নস্টালজিক।

 

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টায় ফ্ল্যাটগুলোতে পাইপলাইনে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সকাল ৭ টায় টুইন টাওয়ার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরানোর কাজ শুরু হয়। আশপাশের সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।সকাল ৯ টার মধ্যে অট্টালিকা চত্বর ও তার আশপাশের এলাকা ফাঁকা করে দেওয়া হচ্ছে। অট্টালিকা চত্বরে যে সমস্ত নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন, তাদের নিরাপদ স্থানে সরানো হবে। দুপুর ১ টায় পরীক্ষা করে দেখার পর অট্টালিকা চত্বর ছাড়বেন টাস্ক ফোর্সের কর্মকর্তারা।

দুপুর পৌনে ২টায় বহুতল ভবন ভাঙার আগে শেষ মুহূর্তে অট্টালিকা চত্বর আরও এক বার সম্পূর্ণ পরিদর্শন করা হবে। দুপুর সোয়া ২টায় নয়ডা-গ্রেটার নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে বন্ধ করা হবে। দুপুর আড়াইটায় গুড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হবে।  দুপুর পৌনে ৩টায় খোলা হবে নয়ডা-গ্রেটার নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে।

বিকেল ৪টায় আশপাশের ফ্ল্যাটগুলোতে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ আবার চালু করা হবে। পুরোদমে এই পরিষেবা চালু করতে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টায় সব কিছু খতিয়ে দেখার পর পরিস্থিতি বুঝে আশপাশের বাসিন্দাদের ফেরানো হবে।

অট্টালিকা সংলগ্ন বাসিন্দাদের বাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বহুতল ভবন ভাঙার সময় বাড়ির ছাদে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শহরে ড্রোন ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নয়ডা পুলিশ। অট্টালিকা ধ্বংসের সময় তার এক নটিক্যাল মাইলের (১.৮ কিলোমিটার) মধ্যে কোনও বিমান উড়বে না, নির্দেশিকা জারি করেছে নয়ডা প্রশাসন।

ধ্বংসের জেরে ধুলার আস্তরণ পড়তে পারে, তাই দমকলের ইঞ্জিন রাখা হচ্ছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাখা হচ্ছে  অ্যাম্বুলেন্স।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close