fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আদালতের নির্দেশে আপাতত স্বস্তি অনুব্রত’র, শর্তসাপেক্ষে ‘রক্ষাকবচ’ মঞ্জুর

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্কঃ আদালতের ‘রক্ষাকবচে’ আপাতত স্বস্তি বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। আদালতের নির্দেশ ছাড়া তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শর্তসাপেক্ষে ‘রক্ষাকবচ’ পেলেন বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এমনকী অনুব্রত’র বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না সিবিআই।তবে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে কোনও বাধা নেই সিবিআইয়ে। অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে সিবিআই। তবে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে অনুব্রতকে। এদিন অনুব্রত সাংবাদিকদের সামনে জানিয়েছেন, তদন্তে সহযোগিতা করবেন তিনি।

বৃহস্পতিবার হাই কোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। সেখানেই অনুব্রতর পক্ষ থেকে সিবিআই-এর কাছে ৮ সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়।

আদালতে অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল বলেন, বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি  অনুব্রত মণ্ডল একবার জানিয়েছেন তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। আবার একবার বলেছেন,  ক্রনিক অ্যাস্থমা আছে। এ দিকে উনি ৩১ তারিখও ট্রাভেল করেছেন, যাতায়াত করেছেন, এর কী মানে?

অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, আমি বোলপুরে থাকি, আমাকে ডেকেছে দুর্গাপুরে। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, তাহলে কী আবেদন করছেন অনুব্রত? অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, তাঁদের জায়গা মতো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হোক আর রক্ষ কবচ দেওয়া হোক। এ ছড়া কোথায় জিজ্ঞাসাবাদ হবে, বোলপুর না দুর্গাপুর, সেই নিয়েও আদালতে শুনানি চলে। অবশেষে শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবচ মঞ্জুর করে হাই কোর্ট।

উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী মামলায় সিবিআইয়ের তলব পাওয়ার পরে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান অনুব্রত। এই মামলায় বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে এসে  কলকাতায় এসেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অনুব্রত। তার পরেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন খুন হয় বীরভূমের বিজেপি কর্মী গৌরব সরকার। সেই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় অনুব্রত মণ্ডলের। গত ২৮ জানুয়ারি তাকে ডেকে পাঠায় সিবিআই।  শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যান অনুব্রত।

সামনেই বীরভূমের নির্বাচন রয়েছে। তার জন্যই নোটিশ পাঠানো হয়েছে অনুব্রতকে। এমনিতে রাজনৈতিকভাবে পারবে না। তাই তৃণমূল নেতাদের সিবিআই এবং ইডিয়ের তলব করা হয় শুধুমাত্র নির্বাচনের আগে, যাতে তাদের নিয়ে কথা বলার সুযোগ পায় বিরোধী পক্ষ।

Related Articles

Back to top button
Close