fbpx
অফবিটপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোভ্যাকসিন-এর হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য ডাক পেল দুর্গাপুরের শিক্ষক চিরঞ্জিত ধীবর

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপ। সংক্রামক রুখতে চলছে লকডাউন। মারণ ওই রোগের ভ্যাকসিন তৈরীর জন্য তৎপর ভারতসহ বিশ্বের বৈজ্ঞানীমহল। শুরু হয়েছে মানবদেহে ভ্যাকসিন পরীক্ষা। আর ওই কোভ্যাকসিন ট্রায়লে ডাক পেল পশ্চিমবাংলার প্রথম ব্যক্তি দুর্গাপুরের প্রাথমিক শিক্ষক চিরঞ্জিত ধীবর। বুধবার তাকে ই-মেলে তলব করা হয়েছে।
চিরঞ্জিত ধীবর দুর্গাপুর টাউনশীপের বাসিন্দা। পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। গত ২৭ এপ্রিল কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ট্রায়লে নিজের দেহ ব্যাবহারের সম্মতি জানিয়ে আইসিএমআরএ আবেদন করেন। একইসঙ্গে ওই আবেদন তিনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক, দুর্গাপুর মহকুমাশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বিশ্বজুড়ে নভেল করোনা থাবা বসিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে গোটা বিশ্বে লক্ষাধিক মানুষের। আক্রান্তের সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গোটা বিশ্বের সঙ্গে ভারতেও ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রামকের সংখ্যা। মারণ এই রোগের মোকাবিলায় জোর তৎপরতা শুরু করেছে, ভারত সহ আমেরিকা, ইটালী, ফ্রান্স মত বিশ্বের তাবড় দেশগুলি।
কোভিড-১৯ র ভ্যাকসিন তৈরীতে মশগুল বিজ্ঞানীমহল। চলছে তার নানান পরীক্ষা নিরিক্ষা। ভ্যাকসিন ট্রায়লের জন্য মানবদেহ প্রয়োজন। কোভ্যাকসিন ট্রায়লের জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রথম আবেদন করেছিলেন প্রাথমিক শিক্ষক তথা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক  চিরঞ্জিত ধীবর। বুধবার রাত্রে ভুবেনশ্বরের প্রিভেন্টিভ এন্ড থেরাপেটিক ক্লিনিকাল ট্রায়ল ইউনিট। জানা গেছে, প্রথমে তার কোভিড-১৯ পরীক্ষা সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় শারিরিক পরীক্ষা হবে। তারপর সেখানে তার কোভ্যাকসিন ট্রায়ল হবে। চিরঞ্জিতবাবুর পরিবার সুত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তিনি ভুবনেশ্বরের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
তাঁর বাবা তপন ধীবর ও মা প্রতিমা ধীবর জানান,” প্রথম দিকে আপত্তি ছিল। পরে যখন দেখলাম করোনা মহামারি আকার নিয়েছে, তখন সম্মতি দিলাম। মারণ এই রোগকে পরাস্ত করতে হবে। তাই সমাজের, দেশের মঙ্গলের জন্য ছেলের শরীরে কোভ্যাকসিন ট্রায়লে সহমত দিয়েছি।”

Related Articles

Back to top button
Close