fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাড়ছে সংক্রমণ! বাংলার সঙ্গে সীমানা বন্ধ করলো ‘ধোনি-রাজ্য’

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল:  কয়েক দিন কয়েক আগেই ঝাড়খন্ড সরকারের পক্ষ থেকে দেশের উত্তর ও মধ্য রাজ্যগুলিতে যোগাযোগকারী বাংলা ঝাড়খন্ড সীমান্তে ২ নং জাতীয় সড়কে ডুবুরডিহি চেকপোস্ট সিল করা হয়েছে।

একই সঙ্গে, পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের রুপনারায়নপুর সীমান্ত দিয়ে দুমকা, জামতাড়া ও মধুপুর যাওয়া রাস্তাও সিল করা হয়েছে। ঝাড়খন্ড সরকারের ই-পাস ছাড়া যত প্রয়োজনই হোক না কেন, বাংলায় কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হবে না জানানো হয়েছে।

এরপর দিন কয়েক আগে ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া জেলার জেলাশাসকের নির্দেশে সেখানকার মহকুমাশাসক সুধীর কুমার আরও এক ধাপ এগিয়ে লিখিতভাবে জামতাড়া জেলার যেসব জায়গা বাংলার সঙ্গে যুক্ত সব থানার পুলিশকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, কোন ভাবেই বাংলা থেকে কোন সরকারি বা বেসরকারি সংস্থার কর্মীর যারা জামতাড়ায় চাকরি বা কাজ করতে আসেন, তাদেরকে ঢুকতে দেয়া যাবে না। তাদেরকে বলতে হবে যে, এখন কাজ বন্ধ রাখতে হবে। কেননা, ঝাড়খন্ডে বর্তমানে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। তাই ঐ রাজ্যের জেলা প্রশাসন সক্রিয় হয়ে সরাসরি বাংলা থেকে সরকারি বা বেসরকারি কর্মীদের ঝাড়খন্ডে তাদের সীমান্ত দিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ করলো।

একইসঙ্গে চিত্তরঞ্জন থেকে মিহিজাম, রুপনারায়নপুর থেকে মিহিজাম, বারাবনি থেকে নলার যাওয়ার সীমান্তে ঝাড়খন্ড পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার জন্য ওই চিঠিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলার অনেকেই ইসিএলের জামতাড়ার একাধিক কয়লা খনি সহ অন্যান্য সরকারি বা বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন।
অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডের করোনার কারণে সবজি ব্যবসা ভালো হচ্ছে না, এই কারণে প্রতিদিন মিহিজাম, জামতাড়া থেকে প্রায় ২০০ সবজি বিক্রেতা মাস্ক ছাড়াই চোরাই পথে ঢুকে যাচ্ছেন সালানপুর, রুপনারায়নপুর ও বারাবনির বিভিন্ন এলাকায়। সেখানে রাস্তার ধারে বসে তারা সবজি বিক্রিও করছেন। এর ফলে ঝাড়খন্ড থেকে আসা ঐসব মানুষের কারণে ঐসব এলাকায় করোনার সংক্রমন বাড়ার একটা আশঙ্কা থাকছে।

তুলনামূলকভাবে তাদের কাছে তাজা সবজি পাওয়া যাচ্ছে ও দামও কম। স্বাভাবিকভাবেই সকাল থেকে রাস্তার ধারে বসা ঐসব বিক্রেতাদের কাছে ভিড় জমাচ্ছেন স্থানীয়রা। তা নিয়ে অবশ্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ আছে। জেলার ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ এই বিষয়ে নীরব রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই নিয়ে, আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশের ডিসিপি (পশ্চিম) অনমিত্র দাস বলেন, খবর নিয়ে দেখছি। অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Articles

Back to top button
Close