fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চাপ কমাতে পদক্ষেপ! বাংলা-ঝাড়খন্ড সীমান্তে বন্ধ অন্য জেলার সোয়াব টেস্ট

চাপ ও হয়রানি কমাতে সিদ্ধান্ত পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের / বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্তের ডুবুরডিহি চেকপোস্টে অন্য জেলার বাসিন্দাদের সোয়াব পরীক্ষা বন্ধ……………………

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল:  গত কয়েকদিন ধরে মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাট ও তামিলনাড়ুর থেকে কয়েক হাজার পরিযায়ী শ্রমিক ও নানা কাজে আটকে পড়া মানুষেরা বাংলায় ঢুকেছেন। বাংলায় ঢোকার সময় বাংলা ঝাড়খন্ড সীমান্তে ২ নং জাতীয় সড়কের ডুবুরডিহি চেকপোস্টে সেইসব মানুষদের লালারস বা সোয়াবের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিলো পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে। কিন্তু এই পরীক্ষা করা ও তার রিপোর্ট আসা নিয়ে সময় লাগছে। তাতে ভিন রাজ্য থেকে আসা মানুষদের সমস্যা ও দুর্ভোগ হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অনেক ভিড় হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থার কথা ভেবে, রাজ্য সরকারের নির্দেশে জেলা প্রশাসন সোমবার রাত থেকে ডুবুরডিহি চেকপোষ্টে ভিন রাজ্য থেকে আসা মানুষদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ বন্ধ করে দিয়েছে৷ এই অবস্থায় সোমবার ডুবুরডিহি চেকপোস্ট এলাকা সরজমিনে খতিয়ে দেখেন জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি ও পুলিশ কমিশনার সুকেশ কুমার জৈন।

প্রশাসন সূত্রে খবর, কেবলমাত্র যারা এই পশ্চিম বর্ধমান জেলার বাসিন্দা হিসাবে অন্য রাজ্য থেকে আসছেন তাদেরই পরীক্ষা এবার করা হবে। সেইমতো মঙ্গলবার থেকে আসানসোলের সেনরেল রোডে একটি বেসরকারি হাসপাতালে লালারসের নমুনা সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয় । জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে , যারা অন্য জেলার বাসিন্দা তাদের সেই জেলায় সোয়াব পরীক্ষা করা হবে। এখান থেকে ঐসব জেলার পুলিশ ও প্রশাসনকে সব তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে মঙ্গলবার জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক (উন্নয়ন ) এস অভিজিৎ তুকারাম জানিয়েছেন ।
মঙ্গলবার সকালে ডুবুরডিহি চেকপোস্ট পার করে বাংলায় ঢুকছেন পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের নামের রেজিস্ট্রেশন করা হয়। পরে জেলা ভিত্তিক আলাদা আলাদা বাসে তুলে দেওয়া হয় । কেবলমাত্র যারা পশ্চিম বর্ধমান জেলার বাসিন্দা হিসাবে অন্য রাজ্য থেকে আসছেন তাদেরকেই সোয়াব পরীক্ষার জন্য ঐ বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,  ৪ মে থেকে জেলা প্রশাসন ডুবুরডিহি চেকপোস্টে অন্য রাজ্য থেকে আসা সব মানুষের সোয়াব পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছিলো। তাদেরকে প্রথমে আসানসোলেই কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হচ্ছিল । পরবর্তীকালে গত ১৩ মে থেকে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য বলা হয়।

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক এদিন বলেন, এই চেকপোস্টে যারা সোয়াব সংগ্রহ করছিলেন তারা সকলেই আসানসোল জেলা হাসপাতালের টেকনিশিয়ান। তারা প্রতিদিন তিনটি শিফটে কাজ করছিলেন। কিন্তু একসঙ্গে হাজার হাজার মানুষ অন্য রাজ্য থেকে আসায় প্রচুর পরিমাণ চাপ তৈরী হচ্ছিলো। তার সঙ্গে পরীক্ষার রিপোর্ট আসতেও দেরি হচ্ছে।‌

Related Articles

Back to top button
Close