fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নিয়ন্ত্রণে করোনা পরিস্থিতি, বন্ধ হচ্ছে মেদিনীপুরের সেফহোমগুলি

তারক হরি, পশ্চিম মেদিনীপুর: করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় মেদিনীপুর জেলায় করোনা চিকিৎসার জন্য রাখা দুটি সেফ হোম পুরোপুরিভাবে বন্ধ করতে চলেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন তাঁতিগেড়িয়া এলাকাতে থাকা আয়ুস এর স্যাটেলাইট সেফহোমে কয়েক মাস আগে এখানেই ১০০ শয্যার কোভিড হাসপাতালের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়। তখন জেলায় করোনা সংক্রমণ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এক সময়ে দিনে এখানে ৬০-৭০জন করে রোগী ভর্তি থেকেছেন।

সম্প্রতি মেদিনীপুরে করোনা মোকাবিলায় গঠিত জেলা স্তরের টাস্কফোর্সের বৈঠক হয়েছে সার্বিকভাবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা হয় তখন দেখা যায় ইদানিং তাঁতিগেড়িয়ার ওই হাসপাতলে কম সংখ্যক রোগী ভর্তি থাকছেন। সূত্রের খবর, সব দিক খতিয়ে দেখেই হাসপাতালটি আপাতত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।

অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা হাসপাতালের সংলগ্ন থাকা সেভ হোমটিও ফাঁকা, এখানেও রোগী নেই বর্তমানে,  ফলে সেটিও আগামী দশ দিন দেখার পর বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ড: নিমাই চন্দ্র মন্ডল।

প্রসঙ্গত জেলার করোনা সংক্রামিতদের মধ্যে ৮ থেকে ১০ শতাংশই এখন কোভিড হাসপাতাল বা সেফ হোমে ভর্তি থাকছেন। বাকি ৯০-৯২ শতাংশ থাকছেন হোম আইসোলেশনে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে বৃহস্পতিবার জেলার কোভিড হাসপাতাল বা সেফ হোমগুলিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোট ৪৮ জন করোনা সংক্রামিত। এরমধ্যে আয়ুস কোভিড হাসপাতালে ১৮ জন, শালবনি কোভিড হাসপাতালে ২২ জন, ঘাটাল কভিদ হাসপাতালে ৫ জন এবং খড়গপুর সেফ হোমে ৩ জন। মেদিনীপুরে তাঁতিগেড়িয়ায় আয়ুস স্যাটেলাইট কোভিড হাসপাতলে কোন রোগীই ছিলনা। আর ডেবরার সেফহোম ছিল কার্যত ফাঁকা।

এদিকে হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মনে প্রশ্ন আসতে শুরু করেছে যে… হাসপাতাল বন্ধ হলে করোনা চিকিৎসায় বেডের অভাব হবে না তো ?
এই প্রসঙ্গে জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন,  ‘করোনা সংক্রামিতদের মধ্যে এখন অনেকেই হোম আইসোলেশনে থাকতে চাইছেন,এই হোম আইসোলেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধার জন্য জেলাস্বাস্থ্য দপ্তর যথেষ্ট সাহায্য করবে। তাছাড়া এই হাসপাতাল বা সেফ হোমে আক্রান্ত মানুষদের মনে একটা অজানা ভীতি কাজ করে হোম আইসোলেশন থাকলে তা অনেকটাই কেটে যাবে, তাঁরা তাড়াতাড়ি সুস্থও হয়ে উঠবেন।’

 

Related Articles

Back to top button
Close