fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদা শহরে করোনা সংক্রমনের জের, বাজার নিয়ন্ত্রনের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের

মিল্টন পাল,মালদাঃ মালদা জেলায় হু হু করে প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যা শহরের মধ্যেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এমত অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে রবিবার জেলা প্রশাসনিক ভবনে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন জেলাশাসক। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সবজি বাজার ও অন্যান্য বাজারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। অবৈধভাবে জটলা ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজবাজার ও পুরাতন মালদা পৌরসভা, মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স সহ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন জেলার হরিশচন্দ্রপুর চাঁচোল,রতুয়া,গাজল কালিয়াচক,সুজাপুর এলাকাতে করোণা আক্রান্ত হতে দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ শহরের মধ্যে ছড়াতে শুরু করেছে। ইংরেজবাজার শহরের কৃষ্ণপল্লি,মালঞ্চপল্লী,বালুচর, মহেশমাটি,হায়দারপুর অন্যদিকে পুরাতন মালদার বাচামারি,খয়হাট্টা, মহানন্দা কলোনি সহ একাধিক এলাকায় আক্রান্ত হয়েছে। যদিও তাদের চিকিৎসা চলছে মালদার কোভিড হাসপাতালে। এমত অবস্থায় জেলা প্রশাসন দুই পৌরসভা ও মালদার ব্যবসায়ী সমিতিকে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করলেন।
মালদা মার্টিন চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু বলেন, আজকের বৈঠকে কোনো সংক্রমণ যাতে কোনোভাবেই ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেইজন্য বাজারগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের পর বাজারের মধ্যে কোন ব্যবসায়ী থাকবে না। এই অবস্থায় ফুটপাতে সমস্ত ব্যবসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যথায় পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে।
ইংরেজবাজার পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল সরকার বলেন, গ্রামের পর শহরের মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।সেই দিকে নজর রেখেই এদিনের বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সবজি বাজার ও অন্যান্য বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পাশাপাশি শহরে মানুষজন চলাচলের ক্ষেত্রে ও নিয়ন্ত্রণ করবে প্রশাসন।এই সিদ্ধান্তে সহমত দেখিয়েছে ব্যবসায়ী সমিতি।
জেলাশাসক রাজর্ষী মিত্র বলেন, শহরের মধ্যে দুই একটা করোনা আক্রন্ত ধরা পরেছে। যেখানে যেখানে ধরা পড়েছে সেটা যাতে অধিকতর গোষ্ঠী সংক্রমনের দিকে না যায় সেগুলি এদিন আলোচনা করা হয়েছে। সেটা মাইকিং করে প্রচার করা হবে। অপ্রয়োজনে কোথাও আড্ডা দিলে বা অপ্রয়োজনে বসার কোন কারন নেই। বাজারের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে যার প্রস্তাব এসেছে পৌরসভা থেকে। ব্যবসায়ী সমিতি এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন।ব্যবসায়ী সমিতির চাইছে কোনভাবে যেতে কোনো সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে না পারে। সেটাই করা হচ্ছে।সমস্ত দোকানের ক্ষেত্রে একটা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজার গুলি যে রকম খুলছে খুলবে। এই জরুরী অবস্থায় সবজি বাজার সকাল ৬টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত খোলা রাখা হবে। অন্যান্য বাজার বিকেল তিনটে পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Related Articles

Back to top button
Close