fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

যত্রতত্র ছড়িয়ে পিপিই, মাস্ক, বাড়বে সংক্রমন, আশঙ্কা আহমেদাবাদের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে  অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবহৃত বর্জ্য। যেগুলি করোনা সুরক্ষা গিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আহমেদাবাদের বৃহত্তম কবরস্থান মুসা সুহাগের প্রবেশদ্বারের চিত্র এখন এমনই। মুসা সুহাগ শহরের কবরস্থানগুলির মধ্যে অন্যতম একটি, যেখানে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে যারা মৃত তাঁদের সমাহিত করা হয়েছে। শেষকৃত্যগুলি আহমেদাবাদ পৌর কর্পোরেশন এবং যেখান থেকে মরদেহ আনা হয় সেই হাসপাতালের উদ্যোগেই হয়। কর্মী ও মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য তাঁদের প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম দেওয়া হয় শেষকৃত্য সম্পন্ন করার সময়। ব্যবহৃত পিপিই পোশাকটিকে জৈব-বিপত্তি হিসাবেই বিবেচনা করা হয় এবং এটি পুড়িয়ে বা মাটি চাপা দিয়ে নিরাপদে নষ্ট করে ফেলতেই হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ যে, যারা এই কিট ব্যবহার করেন তারা সেখানেই তা ফেলে রেখে দেন।

দেশের বৃহত্তম COVID-19 হটস্পট হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৪২১ জন মারা গিয়েছেন এই শহরে। দাহ করা বা কবর দেওয়ার পরে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই) কিটগুলিকে যত্রতত্র ফেলে দেওয়া এবং এই রোগে মারা যাওয়া ব্যক্তির শেষকৃত্য সম্পাদনকারী পরিবারগুলির জন্য সুরক্ষা গিয়ারের অভাব শহরকে আরও সম্ভাব্য সংক্রমণের ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে রোজ।

কবরস্থানের তত্ত্বাবধায়ক সৈয়দ লিয়াকত আলি জানান যে, তিনি কবরস্থান পরিচালন সংস্থা সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের ট্রাস্টিদের, পৌর কর্পোরেশন এমনকি পুলিশ কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করেছেন, কিন্তু ফল মেলেনি।

Related Articles

Back to top button
Close