fbpx
কলকাতাহেডলাইন

প্রয়াত বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী

ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলন থেকে উত্থান শ্যামল চক্রবর্তীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লড়াই শেষ! প্রয়াত বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী।  মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। বৃহস্পতিবার বেলা ১.৪৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শ্যামল চক্রবর্তীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। কোভিড আক্রান্ত হয়ে বাইপাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ভেন্টিলেশনে ছিলেন প্রবীণ নেতা। বাবার শরীর যে ভালো নেই, নিজেই ফেসবুকে সেকথা জানিয়েছিলেন উষসী চক্রবর্তী। বুধবার মেয়ে উষসী চক্রবর্তী নিজের ফেসবুক ওয়ালে বাবার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে পোস্ট করেন। মুখ্যমন্ত্রী যে তাঁকে ফোন করে খোঁজ নেন, সেকথাও শেয়ার করেন উষসী।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরিষেবায় মোদি সরকারের নয়া উদ্যোগ, আসছে ‘জন আরোগ্য রথ’

অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবার ফুসফুসের সংক্রমণ রয়েছে। তবে এই প্রথমবার নয়, এর আগেও বহুবার একই সমস্যায় ভুগেছেন বর্ষীয়ান নেতা।তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট পজেটিভ আসে। রবিবার রাতে তাঁর অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দিতে হয় বর্ষীয়ান নেতাকে। সোমবার কিছুটা উন্নতি হলেও, ফের তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়। তারপর থেকে চিকিত্সায় সাড়া দিচ্ছিলেন না।

গত ২৫-২৬ জুলাই সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়েছিলেন শ্যামলবাবু। তারপর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।  ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলন থেকে উত্থান শ্যামল চক্রবর্তীর।বাম রাজনীতিতে একটা কথা চালু রয়েছে। তা হল ওই উত্তাল সময়ে ছাত্র-যুবদের মধ্যে থেকে প্রমোদ দাশগুপ্ত পাঁচ জনকে খুঁজে বের করেছিলেন। তাঁরা হলেন, বিমান বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, সুভাষ চক্রবর্তী, শ্যামল চক্রবর্তী এবং অনিল বিশ্বাস। ১৯৭৩ সালে শিবপুরে অনুষ্ঠিত এসএফআইয়ের রাজ্য সম্মেলন থেকে রাজ্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন শ্যামল চক্রবর্তী। সম্পাদক হয়েছিলেন সুভাষ চক্রবর্তী। সুভাষ-শ্যামল জুটি ছিল বাম ছাত্র আন্দোলনের। ‘৭৯ সাল পর্যন্ত এসএফআইয়ের রাজ্য সভাপতি ছিলেন শ্যামলবাবু। রাজ্য়সভার সাংসদও ছিলেন শ্য়ামল চক্রবর্তী। বাম জমানায় রাজ্য়ের পরিবহণমন্ত্রী ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close