fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দিনহাটায় করোনা আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাজারেও বাড়ছে ভিড়

নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা: নানা ভাবে সচেতনতা প্রচার স্বত্বেও করোনা আক্রান্তের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে দিনহাটার বাজারেও চলছে ভিড়। শহরের পাশাপাশি মহকুমার বিভিন্ন ব্লকে গত কয়েক দিনে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলছে তখন বাজারেও তাল মিলিয়ে চলতে থাকায় অনেকেই বাজার না করেই রাস্তা থেকেই ফিরে আসছেন। দিনহাটা সহ গোটা জেলা জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে চার দিনের লকডাউন ঘোষণা কোচবিহার জেলা প্রশাসন। সেই মতো বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে এই লকডাউন। টানা চার দিন এই লকডাউন চলবে শনিবার পর্যন্ত। চার দিনের এই লকডাউন শুরুর আগে মঙ্গলবার দিনহাটার বাজারে ছিল যথেষ্ট। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কনটেনমেন্ট জোনে দোকান বাজার বন্ধ করার সময় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

এদিন বেলা ১২ টার পরেও শহরের চওড়াহাট বাজার, প্রত্যুষা বাজার ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ দোকানপাট ছিল খোলা। প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকেও বারেবারে সচেতনতা প্রচার করা সত্ত্বেও একশ্রেণীর ব্যবসায়ী অতিরিক্ত আয়ের আশায় অধিক সময় দোকান খোলা রাখছে বলে অভিযোগ। তেমনি একশ্রেণীর গ্রাহক সেখানে গিয়ে দোকান বন্ধের সময় ভিড় জমাচ্ছেন। যারা নানাভাবে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে চলছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি উঠেছে।

লকডাউন শুরুর আগে এদিন সকাল থেকেই দিনহাটার বিভিন্ন এলাকায় বাজারে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই ভিড় দেখে বাজারে না ঢুকেই ফিরে আসেন। দিনহাটা শহরের সাহেবগঞ্জ রোড এলাকার গৌরীশংকর মাহেশ্বরী বলেন, করোনা ভাইরাসের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে যখন বারেবারে বলা হচ্ছে একসাথে ভিড় জমায়েত করা যাবে না, তখন চারদিনের লকডাউনের আগে এদিন ভিড়ের জন্য বাজার না করেই তিনি ফিরে যান। ভিড় রোধে পুলিশ প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার কথাও বলেন তিনি।

শহরের গোপালনগর এলাকার তরুণ কর্মকার, বিপুল সাহা,হারান দে, শহরের পুরনো বাস স্ট্যান্ড এলাকার মানিক দে, বাবু সোম প্রমুখ বাজারে ভিড় দেখে ভেতরে না ঢুকেই বাধ্য হন ফিরে যেতে। তারা বলেন, এভাবে ভিড় হলে সংক্রমণ ক্রমেই বাড়বে বৈ কমবে না। তাই বাজারে ভিড় রাধে প্রশাসনকে কঠোর হতে বলেন তারা। মহকুমা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক রানা গোস্বামী ,ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক উৎপলেন্দু রায় প্রমূখ বলেন, কঠিন এই সময় কালে বাজারে ভিড় কমাতে তারা ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কেউ সচেতন করে চলছেন। মাস্ক ছাড়া কেউ বাজারে এলে তাদের যাতে কোনরকম সামগ্রী না দেওয়া হয় তার জন্য তারা ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক করে দেওয়া ছাড়াও নির্দিষ্ট সময় যাতে তারা দোকান বন্ধ করেন তা নিয়েও তাদেরকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়। যারা প্রশাসনের নির্দেশ না মেনে চলবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিলে সেই ব্যবসায়ীর পাশে তারা থাকবেন না বলেও জানান সংগঠনটির নেতৃত্ব।

Related Articles

Back to top button
Close