fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নদীয়ার বিভিন্ন বুথে পালন শহিদ দিবস, মমতার ভার্চুয়াল বৈঠক দেখতে ভিড় কর্মী-সমর্থকদের

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: আজ ২১ শে জুলাই। শহীদ দিবস। প্রতিবারই এই দিনে জনসমাগমে অবরুদ্ধ হত মহানগর। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তর্জনী-সংকেতে উঠত স্লোগানের সুনামি। কিন্তু ভাইরাসের জেরে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে হচ্ছে না সভা। তাই একুশের বিধানসভা ভোটের আগে শেষ ২১শে জুলাইয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকেই মমতা বক্তব্য পেশ করলেন। দুপুর দু’টোয় অনলাইনে শোনা গেল নেত্রীর ভাষণ। এই বক্তব্যের মাধ্যমেই ভবিষ্যতে দলীয় কর্মসূচির রূপরেখা স্পষ্ট করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

এই ভার্চুয়াল বৈঠকের আগে নদীয়ার বিভিন্ন জায়গায় প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। নিয়ম করে জেলার নেতারা দলের নেত্রীর নির্দেশে পালন করলেন শহীদ দিবস। এদিন বুথে বুথে ১৩ জন শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করলেন জেলার নেতৃত্বরা।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য সকাল থেকেই বেশ কিছু বুথে প্যান্ডেল,মাইক, টিভির ব্যবস্থা করেন শাসক দলের নেতারা। আয়োজনের কোনো খামতি রাখেননি তাঁরা। কিন্তু সেই আবেগ ছিল কি? এই প্রশ্নের উত্তরে পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ চঞ্চল দেবনাথ বলেন, “আবেগ যথেষ্ট রয়েছে। এটা ঠিক মহামারীর কারণে মহানগরে সভা হয়নি। আগে ট্রেনে,বাসে, নিজস্ব গাড়িতে নেত্রীর ভাষণ শোনার জন্য মহানগরে ভিড় আমরা করতাম। কিন্তু এবছর সেটা হয়নি। সেই কারণে নেত্রীর নির্দেশে প্রতিটা বুথে আমরা শহীদ দিবস পালন করছি।” মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ শোনার জন্য দলের কর্মী-সমর্থকদের জন্য প্যান্ডেল করে টিভির ব্যবস্থা করেছিলেন কল্যাণী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরূপ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “২১শে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই শেষ ২১শে জুলাই। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা পেতেই এই আয়োজন। পাশাপাশি এটাও ঠিক এবার কলকাতায় সভা বন্ধ মহামারীর কারণে। তবে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আবেগ যথেষ্ট রয়েছে।”

না এবার সামনে থেকে দেখা হলো না নেত্রীকে। সামনে থেকে শোনা হলো না নেত্রীর গা গরম করা ভাষণ। আক্ষেপের সুর শোনা গেল কিছু কর্মী-সমর্থকদের গলায়। তবে ২১শে নির্বাচনে ফের জয়লাভ করে ২১মে বিরাট জনসভা করার বার্তা ইতিমধ্যে দিয়েছেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আশায় রয়েছেন তাঁরা। এবারের ২১ শে জুলাইয়ের ভার্চুয়াল বৈঠক অনেকটাই সফল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

Related Articles

Back to top button
Close