fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশলাইফস্টাইলহেডলাইন

ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবার বর্তমান অবস্থান

মনীষা ভট্টাচার্য, কলকাতা: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান মূলত এই তিনটি সাধারণ চাহিদার জন্যই মানুষের লড়াই সেই কবে থেকে। বর্তমানে আমরা সবাই কোভিড-১৯ নিযে বিব্রত, আতঙ্কিত এমনকী আক্রান্ত। এই তিনটি সাধারণ ব্যাপার এই অতিমারীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। একটু শিক্ষা থাকলেই কিন্তু আমরা এড়িয়ে চলতে পারি করোনার ভয়াবহতাকে। কিন্তু না, আমরা তা পারছি না। পারিনি। হয়তো ভবিষ্যতেও পারব না। এরকম একটা অবস্থায় দাঁড়িয়ে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য দুটো নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। ভারতে স্বাস্থ্য নিয়ে আদৌ কিছু ভাবা হচ্ছে? শরীর খারাপ হলেই আমাদের সামনে উঠে আসে টাকার প্রসঙ্গ। ডাক্তার দেখাও,  টাকা। ওষুধ কেন,  টাকা। ডায়গনস্টিক সেন্টারে যাও,  টাকা। হসপিটালে ভর্তির প্রয়োজন হলে তো সোনায় সোহাগা। যাঁরা ব্যয় করতে সক্ষম, তাঁদের কথা আলাদা, কিন্তু যাঁরা নন?

আরও পড়ুন:বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ফুলহার নদীর জল, শুরু ভাঙন

১৩০ কোটির দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবায় সরকারি সহযোগিতা কতটুকু? স্বাস্থ্য পরিষেবা দিয়ে কি ভোট জেতা সম্ভব? আয়ুষ ভারতের আওতায় কত জন ভারতীয় আছেন? আমরা কি জানি ৮৫ শতাংশ ওষুধ, যা বিক্রি করার আইনি অনুমতি নেই, তা প্রতিদিন রোগীদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে জীবনদায়ী ওষুধ রূপে? সব থেকে বড় কথা, সারা পৃথিবীতে জেনেরিক আর পেটেন্ট ড্রাগের কথা শোনা যায়। একমাত্র ভারতেই তিন ধরনের ওষুধ জেনেরিক,  ব্র্যান্ডেড জেনেরিক এবং পেটেন্ট ড্রাগ রয়েছে যার মধ্যে ব্র্যান্ডেড ড্রাগ বেশিমাত্রায় প্রেসক্রাইব করা হয়। অনেক সময় দেখা যায় ডাক্তাররা লিখে দেন অমুক জায়গা থেকেই পরীক্ষা করাতে হবে। অর্থাৎ সেই ল্যাব এবং ডাক্তারের মধ্যে রয়েছে কমিশনের চুক্তি। এখানেই শেষ নয়, আরও ভয়ঙ্কর তথ্য হল টাকার বিনিমযে ডাক্তারি ডিগ্রি ক্রয়। একটা সময় ছিল যখন ছাত্র-ছাত্রীরা মেধার ভিত্তিতে পরীক্ষা পাশ করে ডাক্তারই পড়ার সুযোগ পেতেন, কিন্তু এখন প্রাইভেট কলেজে অর্থের পরিবর্তে আপনি হয়ে যেতে পারেন ডাক্তার। আরও আশ্চর্যজনক, আগে প্রায় প্রতিটি স্কুলে ১০ ভালো স্টুডেন্টের মধ্যে তিন থেকে চারজন ডাক্তার হতে চাইতেন, আজ যেখানে প্রায় শূন্য। প্যারামেডিকেল স্টাফের ক্ষেত্রেও চিত্রটা এক।

আরও পড়ুন: অমলা শঙ্করের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সারা পৃথিবীর নিরিখে ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কেমন, জিডিপির কত শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ করা হয়, হেলথ ইনসিওরেন্সের অবস্থাটাই বা কী, সরকার কী ভাবছে, বেসরকারি সংস্থাই বা কী করছে, কী করলেই বা এই সমস্যার সমাধান হবে।এইসব নিযে নানা তথ্য, নানা মতামতে তৈরি হযেছে  ১ঘন্টা ১২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের  ‘থেলথ কেয়ার. হু কেয়ারস’ শীর্ষক তথ্যচিত্র।  ডাক্তার সহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্র ও সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মানুষেরা এই তথ্যচিত্রে অংশ নিয়েছেন। কলকাতা সুকৃতী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গত ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে অভিজিৎ দাশগুপ্তের পরিচালনায় এই তথ্যচিত্রটি ইউটিউবে প্রকাশিত করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close