fbpx
আন্তর্জাতিকআমেরিকাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ডনের দেশে ফের পুলিশি নৃশংসতার শিকার দুই কৃষ্ণাঙ্গ! জ্বলল প্রতিবাদের আগুন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন মুলুকে দুটি পৃথক ঘটনায় কৃষ্ণাঙ্গ দুই ব্যক্তির উপর পুলিশি অত্যাচারের খবরে আবারও উত্তাল হয়ে উঠল আমেরিকা।

প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২৩ মার্চ রশেস্টারে। অভিযোগ, ৪১ বছরের কৃষ্ণাঙ্গ ড্যানিয়েল প্রুডকে নগ্ন অবস্থায়, হাতকড়া এবং মাথায় বস্ত্রাবরণ পরিয়ে রাস্তার উপর অত্যাচার চালিয়েছিলেন সাতজন পুলিশকর্মী। সেই ঘটনার ভিডিও সম্প্রতি সামনে আসার পর নতুন করে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, একজন অফিসার প্রুডের মাথা চেপে ধরে আছেন হাত দিয়ে। একজন অফিসার হাঁটু দিয়ে তাঁর পিঠ চেপে ধরেছেন। অফিসারদের চাপে প্রুডের শ্বাস আটকে যায় এবং তিনি বমি করতে থাকেন। তাতে বিরক্ত হয়ে আরেক অফিসার মাথা চেপে ধরেন দুপা দিয়ে। ভিডিওয় প্রুডকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‌আপনারা আমারে মেরে ফেলার চেষ্টা করছেন।’‌ সেটাই এখনও পর্যন্ত তাঁর শেষ উচ্চারিত শব্দ, যা আরও ইন্ধন জুগিয়েছে বিক্ষোভে। কারণ, তার ১১ মিনিট পর যখন প্রুডকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ তখন তিনি অচেতন। হাসপাতালে পাঁচ দিন পর প্রুডের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারকে পুলিশ বলেছিল মাদকাসক্ত অবস্থায় নগ্ন হয়ে রাস্তায় ঘুরতে দেখে তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। ড্রাগ ওভারডোজেই ড্যানিয়েল প্রুড মারা গিয়েছেন। কিন্তু প্রুড পরিবার পুলিশের কথায় বিশ্বাস না করে তথ্যপ্রমাণ জোগারের চেষ্টা চালিয়েছিলেন। অবশেষে ওই দিনের ভিডিও ফুটেজ মেলার পরই বিক্ষোভ চাগাড় দিয়েছে।

এই ঘটনার জেরে প্রতিবাদ সংঘটিত হয় অভিযুক্ত পুলিশ ৭ অফিসার কে বরখাস্ত করেছে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট।

মেয়রের সাফাই, ওই ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ প্রধান ল্যারন সিঙ্গলট্যারি তাঁকে ভুল তথ্য দিয়ে বলেছিলেন, প্রুড বেশি মাদক সেবন করে পুলিশি হেপাজতে মারা গিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য পুলিশ প্রধান ল্যারনের কাছে তলব করে মেয়র লাভলি প্রুড পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। দোষীদের শাস্তি এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close