fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা আক্রান্তর পরিবারে বৃদ্ধের মৃত্যুতে চাঞ্চল্য আসানসোলে

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তির পরিবারে এক বৃদ্ধর মৃত্যুতে সোমবার রাতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে আসানসোল উত্তর থানার রেলপারের গোপালনগর এলাকায়।। মঙ্গলবার দুপুরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে বৃদ্ধর মৃতদেহর ময়নাতদন্ত হয়। মৃত বৃদ্ধ করোনা আক্রান্ত হতে পারেন এই সন্দেহে চিকিৎসক দেহের ময়নাতদন্ত করেন। এক্ষেত্রে মানা হয়, অন্যান্য বিধিও। তবে ঠিক কখন বা কোন সময়ে বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে, তা জানা না যাওয়ায় করোনা পরীক্ষার জন্য হাসপাতাল কতৃপক্ষ বৃদ্ধর লালারস বা সোয়াবের নমুনা সংগ্রহ করেনি। হাসপাতাল সুপার ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস বলেন, জেলার সিএমওএইচ ডাঃ দেবাশীষ হালদারের নির্দেশ মতো কাজ করা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর জানায়, মৃত্যুর পরে ৬ ঘন্টার মধ্যে লালারস বা সোয়াব পরীক্ষার জন্য নেওয়ার কথ, আইসিএমআর ও স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশিকায় বলা আছে। এই বৃদ্ধর মৃত্যু সোমবার দুপুর থেকে বিকালের মধ্যে কোন এক সময় হয়েছে। তাই এদিন আর তার লালরস পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়নি। তবে, তার বাড়ির এক সদস্য করোনায় আক্রান্ত। বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন, এই সন্দেহে তার দেহ বাড়ির লোকেদের দেওয়া হয়নি। পুলিশ বাড়ির লোকের অনুমতি নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের গাইডলাইন মতো দেহ দাহ করিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসানসোলের গোপাল নগরের বাসিন্দা ঐ বৃদ্ধর ৫৬ বছরের এক নাতি গত তিনদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হন। তিনি দূর্গাপুরে কোভিড ১৯ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। রবিবার দুপুরে ঐ বৃদ্ধ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। তিনি করোনা আক্রান্ত, এই ভয়ে এলাকার বাসিন্দারাও এগিয়ে আসেননি। শেষ পর্যন্ত রাত নটার পরে পুলিশ গিয়ে, বৃদ্ধকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। এমারজেন্সি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, সম্ভবতঃ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, করোনা আতঙ্কে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলে মহকুমাশাসকের কার্যালয় বন্ধ করার এক নোটিশ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মঙ্গলবার। ঐ নোটিশে বলা হয়েছে, আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত অফিস বন্ধ থাকবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মহকুমাশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন জেলা পরিবহন দপ্তরের এক কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো আসেনি। তার আগেই এই নোটিশ দেওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও মহকুমাশাসক দেবজিৎ গাঙ্গুলি বলেন, অফিস পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। করোনার জন্য সাধারণ মানুষের গতিবিধি একটু নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। গোটা অফিস স্যানিটাইজেশন করা হবে।

Related Articles

Back to top button
Close