fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

বাংলায় করোনায় মৃত ১৮, ২৪ ঘণ্টা নতুন করে ৫১ জন: মুখ্যসচিব

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টা নতুন করে ৫১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮৫। করোনায় রাজ্যে মৃত্যু বেড়ে ১৮। সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা মুখ্যসচিব রাজীব সিনহার। নতুন করে আক্রান্তের খবর মিলেছে উত্তর  ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান থেকে। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে করোনা আক্রান্ত ৯ বছরের নাবালিকা। এর আগে এই মেয়েটির আত্মীয় আক্রান্ত হয়ে করোনা হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন। জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী।

করোনা আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে কোনও হাসপাতাল রোগী ফেরাতে পারবে না। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার নবান্নে সাফ জানালেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। সম্প্রতি রাজ্যের একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরানোর অভিযোগ ওঠে। এমনকী খোদ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকেও রোগী প্রত্যাখ্যান করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ উঠতেই কড়া ব্যবস্থা হুঁশিয়ারি রাজ্য সরকারের।

এই প্রসঙ্গে শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যসচিব বলেন, ‘অনেক বেসরকারি হাসপাতাল রোগী ভর্তি নেওয়ার আগে করোনা ফিট সার্টিফিকেট চাইছেন। এমনকী মেকিড্যাল কলেজ থেকেও রোগী প্রত্যাখ্যানের অভিযোগ। এর ফলে রোগীদের চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যাবে না। বেসরকারি হাসপাতালগুলির পাশে রয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু রোগীদের হয়রানি করা চলবে না।’

আরও পড়ুন: ফের মাইক হাতে জনতাকে সচেতন করতে যাদবপুরে মুখ্যমন্ত্রী

এর পাশাপাশি লকডাউন ভাঙার অভিযোগে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে চালানো অভিযানের জেরে ৩৩,৯৯৭ জন গ্রেফতার হয়েছে। ৩৫৫৬টি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। লকাডাউন ভাঙায় মোট ৩৭৪৯টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।এরই পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় লকডাউন পালনেও রাজ্য সরকার কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব। গোটা রাজ্যজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতিতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আন্তঃমন্ত্রক টিমের একটি প্রতিনিধি দল কলকাতায় পাঠানোর পরে তাঁরা যে ক্ষণ-ক্ষণে রাজ্য সরকারকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করছে, তাতেই এই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে রাজ্য সরকার তথা নবান্ন। এত দিন ধরে কখনওই রাজ্যে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা জানানো হয়নি নবান্নের তরফে। সবসময়েই বলা হয়েছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা, অর্থাৎ এই মুহূর্তে কত জন রোগীর শরীরে করোনার জীবাণু সক্রিয় রয়েছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close