কলকাতাদেশহেডলাইন

ফোন করে কেজরিওয়ালকে শুভেচ্ছা জানালেন মমতার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: হ্যাটট্রিক করার লক্ষ্যে কেজরিওয়াল। কেজরির জয়ে খুশি মমতা। দিল্লির ভোট কিছুটা হলেও গুরুত্ব ছিল তৃণমূলের কাছেও। গোটাদেশে বিজেপি বিরোধী প্রধানমুখ মমতা।  জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে তৃণমূলের গুরুত্ব বজায় রাখতে দিল্লিতে বিজেপির হার খুবই কাম্য ছিল জোড়াফুল শিবিরে। মঙ্গলবার সকালে দিল্লিতে ভোটের ছবি যত এগিয়েছে, কার্যত ততই খুশির রেশ ছড়িয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। আসন্ন পুরনির্বাচনের আগে দিল্লিতে বিজেপির এই হার নিঃসন্দেহে তৃণমূলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে। মঙ্গলবার যখন দিল্লিতে ভোট ফলাফলের ট্রেন্ডে পরিস্কার ফের ক্ষমতায় ফিরছেন কেজরি, ঠিক তখনই তাঁকে ফোন করে অভিনন্দন জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরও ওঁরা প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং বিভাজনের রাজনীতি করেছে। ওঁরা সবসময় অপপ্রচার করে, ঘৃণার রাজনীতি করে, গুজব ছড়ায়। এটা রাজনীতির ইস্যু হতে পারে না। রাজনীতির ইস্যু হওয়া উচিত অর্থনীতি, বেকারত্বর মতো। কেজরিওয়ালের এই জয় গণতন্ত্রের জয়।” আপ সুপ্রিমোকে ফোন করেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মমতা।

আরও পড়ুন: জয়ের উৎসবে শব্দবাজি নয়…কেজরিওয়াল

জয় নিয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিল আম আদমি পার্টি। আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং বললেন, “ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে এই জয়। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কেউ হারাতে পারবে না।”

অন্যদিকে, দিল্লির ফলাফল ভাল বার্তা দিচ্ছে না কংগ্রেস কর্মীদের। স্বীকার করলেন অধীর চৌধুরী। তাঁর মতে, ‘সবাই জানত কেজরিওয়াল জিতবেন। তাঁর এই জয় বিজেপির ধর্মীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে জয়।’ লজ্জাজনক হারের দায় নিয়ে দিল্লি কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন সুভাষ চোপড়া। দিল্লি নির্বাচনে খাতা খুলতে পারেনি কংগ্রেস।

 

Related Articles

Back to top button
Close