fbpx
দেশহেডলাইন

দিল্লি কড়া হতেই সুর নরম চিনের! বেজিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতকে তোপ ইমরানের

নয়াদিল্লি: গালওয়ান উপত্যকা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই বরাবরের মতোই চিনের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের বিরুদ্ধে তোপ দাগল পাকিস্তান। যদিও ভারত কড়া অবস্থান নিতেই বুধবার থেকেই সুর নরম করতে শুরু করেছে বেজিং। নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত সুন ওয়েডং সমঝোতার বার্তা দিয়ে বলেছেন, ভারত-চিন একে অন্যের পক্ষে বিপজ্জনক নয়। দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ কখনওই এমন পর্যায়ে যাবে না যে, তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে।

চিনা রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘আমাদের মধ্যে মতবিরোধকে এমন ভাবে দেখা উচিত যাতে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তার ছায়া না পড়ে। দু’পক্ষেরই খেয়াল রাখতে হবে, ভারত এবং চিন একে অন্যের কাছে বহু ক্ষেত্রে বিরাট সুযোগ। কেউ যেন কারও বিপদের কারণ না হই।’ কৌশলগত পারস্পারিক সমঝোতা বাড়াতে দুই দেশেরই উন্নয়নকে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া উচিত বলেই মন্তব্য করেন তিনি। কূটনৈতিক শিবিরের মতে, চিনের তরফ থেকে কার্যত সমঝোতার বার্তাই দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, মোদি সরকারের উদ্ধত মনোভাব প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের জন্য বাংলাদেশ, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে নেপাল, চিন ও পাকিস্তান ভুগছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: পরিযায়ী শ্রমিকরা কেউ করোনা দৈত্য নয়, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ অধীরের

লাদাখ সীমান্তে আচমকা চিনা সেনার তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর থেকেই নয়াদিল্লি-বেজিং সম্পর্ক উত্তপ্ত। দু’দফায় হাতাহাতি সংঘাতের পর গালওয়ান উপত্যকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিপুল সেনা মোতায়েন করে চিন। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত দু’দেশ কার্যত যুদ্ধের মেজাজেই ছিল। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাঁর সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশও দিয়েছিলেন। এদিকে ভারতও সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও তিন বাহিনীর প্রধানদের নিয়ে বৈঠক সারেন।

বেজিং আগ্রাসন বাড়ালে তার যোগ্য জবাব দেওয়া হবে বলে নয়াদিল্লির তরফে বার্তা দেওয়া হয়। এর মধ্যেই বুধবার কিছুটা নরম অবস্থান নিয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়, সীমান্তে ভারত-চিনের মধ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব। পরে কার্যতে সেই বার্তাই নয়াদিল্লিকে দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

Related Articles

Back to top button
Close