fbpx
দেশহেডলাইন

আতঙ্কের মধ্যেও স্বস্তি, দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাইতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির হার নিম্নমুখী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: এত কের মধ্যেও স্বস্তির খবর দিলে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, দিল্লির এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর তথা ‘আর নম্বর’ গত সপ্তাহ থেকেই ছিল ০.৬৮ পয়েন্টে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে দেখা গেল আর নম্বর একের নিচে নেমে গেছে। দেশের আরও দুই মেট্রো শহর মুম্বই ও চেন্নাইতেও আর নম্বর এখন একের নিচে। যার অর্থ, এই তিন শহরে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ধীরে ধীরে কমছে। করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও কমতির দিকে। বরং সুস্থতার হার আগের তুলনায় বেশি।

এদিকে এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর কমেছে দেশে। ১.১৭ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১.১৬ পয়েন্টে। ইনস্টিটিউট অব ম্যাথেমেটিক্যাল সায়েন্স তাদের গাণিতিক হিসেবে দেখিয়েছিল, গত ২৬ জুন দেশে আর নম্বর ছিল ১.১১, এরপরে ৭ জুলাই সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৯ পয়েন্টে। ১৩ জুলাই ফের দেখা যায় আর নম্বর কমে গেছে ১.১১ পয়েন্টে। সেই সময় আশা জাগে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও কমবে।

কিন্তু ফের ২০ জুলাই গিয়ে দেখা যায় এই নম্বর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.১৭ পয়েন্টে।  তারপর থেকে আর নম্বর এই ১.১৭ পয়েন্টেই আটকে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আর নম্বরের আচমকা বৃদ্ধি হয় দ্বিতীয় আনলক পর্যায়ে গিয়ে। হিসেব বলছে,  লকডাউন শুরু আগে গত ৪ মার্চ দেশের আর নম্বর ছিল ১.৮৩।  ওই সময় উহানের আর নম্বর ছিল ২.১৪ এবং ইতালির ২.৭৩, যা ভারতের থেকে অনেক বেশি। অর্থাৎ সংক্রমণ ছড়ানোর হার বেশি।

উল্লেখ্য, ভারতে ২৫ মার্চ থেকে লকডাউন শুরু হওয়ার পরে এই নম্বর কমতে থাকে। ৬ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত আর নম্বর নেমে আসে ১.৫৫ পয়েন্টে। জুনের প্রথমে সেটাই পৌঁছয় ১.৪৯ পয়েন্টে। আর নম্বরের এই ধারাবাহিক পতন দেখেই লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আনলক শুরুর পরেই জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই ফের আর নম্বর বেড়ে পৌঁছে যায় ১.১৯ পয়েন্টে।

Related Articles

Back to top button
Close