fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কৃষকদের ক্ষতিপূরণ ও ফসল বীমার অন্তর্ভূক্তির দাবি

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : ধান কেটে ঘরে তোলার মরশুমে অনাসৃষ্টি কালবৈশাখী ও অতিবৃষ্টি চাষিদের কাছে অন্যতম মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপজনিত বৃষ্টির কারণে গত কয়েকদিন ধরে পূর্ব মেদিনীপুর সহ বিভিন্ন জেলাতে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। ৫ ই মে পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকবে বলে আবহাওয়া দপ্তরের খবর। যার ফলে বোরো ধান চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এমনিতেই লকডাউন পরিস্থিতিতে কৃষি শ্রমিকের সংকট ভালো রকমই। তার উপর প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কৃষকদের দিশেহারা অবস্থা। সব মিলিয়ে কৃষকরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বলতে গেলে ল্যাজেগোবরে অবস্থা।

এই অবস্থায় সরকারী ক্ষতিপূরন ও বাংলা ফসল বীমা যোজনায় বীমা কোম্পানি থেকে কৃষকদের ফসলবীমা বাবদ ক্ষতিপূরন দেওয়ার দাবি করা হয়েছে কৃষক সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে। এখন সরকারের উচিত অবিলম্বে এ বিষয়ে নজর দেওয়া। নচেত চাষিদের চরম দুর্দিন আসন্ন।

আরও পড়ুন: রেশন সামগ্রী ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ, নন্দীগ্রামে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

পরিষদের সম্পাদক নারায়নচন্দ্র নায়ক অভিযোগ করে বলেন, গত বছর বুলবুলের কারণে কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছিল, সেই পরিপ্রেক্ষিতে বীমা কোম্পানির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা থাকলেও আজও সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়া যায়নি। সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো সদর্থক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি এজন্য। এরপর চলতি মরশুমের পাকা ধানের ক্ষতি নিয়ে বীমা কোম্পানী গড়িমসি করছে। প্রশাসনের থেকে জানানো হয়েছে, চাষীদের ক্ষতির বিষয়টি বীমা কোম্পানিকে তিন দিনের মধ্যে ই.মেল করে জানানোর জন্য কৃষকদের বলা হয়েছে। কিন্তু চাষিদের ভরসা মিলছে না মোটেও।

ধান বিক্রির বিষয়টিও দেখতে হবে সরকারকেই। যেন উচিত মূল্যে চাষিরা ধান বিক্রি করতে পারে – সে বিষয়ে নজর দিতে হবে প্রশাসনকেই। এক শ্রেনীর দালাল এবং ফড়েদের হাতে পড়ে চাষিদের যেন আরও দুর্বিষহ অবস্থায় পড়তে না হয়।

Related Articles

Back to top button
Close