fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

সংক্রমণ থেকে বাঁচতে চেয়েছিলেন মাস্ক ও পিপিই, চাকরি খোয়ালেন ৮৪ জন নার্স

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে গোটা দেশ। হঠাত করে এই ভাইরাসের আগমনে এরকম এক মহামারীর মোকাবিলা করতে কেউ যেন মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত ছিল না। তবে হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেদের জীবন বাজি রেখে দিন-রাত কাজ করে চলেছেন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী-নার্সরা। কিন্তু দেশের আরেক প্রান্তে এমন এক ঘটনা ঘটেছে যা অত্যন্ত অমানবিক। ঘটনাস্থল দিল্লি। প্রায় ৮৪ জন নার্সকে তাঁদের চাকরি থেকে ছেঁটে ফেলল দিল্লির হামদার্দ হাসপাতাল।

 

এই ‘হামদার্দ’ শব্দের অর্থ হল সমব্যথী। কিন্তু হাসপাতালের এহেন ব্যবহার দেখে অনেকেই বলছেন, সমব্যথী হওয়া তো দূর, এই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সামান্য মানবিক বোধটুকুই নেই। নার্সদের অবশ্য অভিযোগ, চুক্তি শেষ হওয়াটা নিমিত্ত মাত্র, আসলে হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরেই নেই পর্যাপ্ত মাস্ক ও পিপিই। এমনকী নেই পর্যাপ্ত পানীয় জলও। তা নিয়েই বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন ওই নার্সরা। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের এই বিক্ষোভের ‘অপরাধে’ শাস্তি দিয়েছে। এমনকী নার্সদের ওই পদে সাফাইকর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে খবর। ঘটনা নিয়ে ইতোমধ্যে বিক্ষোভে বসেছেন নার্সরা।

 

করোনা পরিস্থিতিতে শুরু থেকেই করোনা-যোদ্ধাদের সঙ্গে সহানুভূতি ও সম্মান প্রদর্শনের কথা বলে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, এমনকী আদালতও। তাঁদের জন্যে হাততালি, হাসপাতালের উপর পুষ্পবৃষ্টির আয়োজনও করেছিল সরকার। কিন্তু এগুলোতে আসলে যে মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা তৈরি হয় না, তা দিল্লির ঘটনা ফের স্পষ্ট করে দিল। দিল্লির ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে নার্সরা অভিযোগ করেছেন, আগাম কোনও নোটিশ ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তাঁদের বরখাস্তের চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। করোনা টেস্ট করে নার্সদের থেকে জোর করে নেওয়া হয়েছে টাকাও।

Related Articles

Back to top button
Close