fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বকেয়া বেতনের দাবিতে পুরসভার কর্মীদের বিক্ষোভ, আন্দোলন 

অলোক কুমার ঘোষ, ব্যারাকপুর : লকডাউনের মধ্যে বেতন না পেয়ে আন্দোলনে শামিল হলেন টিটাগড় পুরসভার শতাধিক কর্মী । বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টিটাগড় পুরসভার অস্থায়ী আন্দোলনরত সাফাই কর্মীরা কাজ বন্ধ করে পুরসভার ভেতরে বিক্ষোভ দেখান । দফায় দফায় চলে পুরকর্মীদের বিক্ষোভ কর্মসূচি ।
টিটাগড় পুরসভার স্থায়ী কর্মীদের একাংশও অস্থায়ী কর্মীদের আন্দোলন কে সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগদান করে । আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, লকডাউনের সময় থেকে এই পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বন্ধ হয়ে গেছে । বার বার পুরসভা কর্তিপক্ষকে জানিয়েও বেতন সমস্যার সমাধান করা যায় নি । শুধু যে অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বকেয়া আছে তাই নয়, স্থায়ী কর্মীরাও গত ২ মাস বেতন পাননি বলে অভিযোগ । আন্দোলনকারী স্থায়ী সাফাই কর্মী সাবিত্রী দেবী বলেন, “লকডাউনের মধ্যে সবারই আর্থিক অবস্থা খারাপ, কে কাকে সাহায্য করবে ? আমাদের স্থায়ী কর্মীদের ২ মাস বেতন দেয়নি, অস্থায়ী কর্মীদের ৪ মাস বেতন হয় নি, অন্যদিকে পেনশনাররা ৩ মাস পেনশন পাননি । এভাবে আমরা বাঁচব কি করে ? বাধ্য হয়ে আন্দোলনে শামিল হয়েছি । আমরা বেতন চাইলেই পুরপ্রধান সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ডেকে আনেন । আমরা কি গুন্ডা না কি ? নিজেদের কাজের ন্যায্য মূল্য চাইছি, সেটা না দিলে আমাদের সংসার কি করে চলবে ? বাচ্চাদের পড়াশোনা কি করে করাব ?”
এদিকে এই প্রসঙ্গে টিটাগড় পুরসভার পৌরপ্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরী বলেন, “যে আন্দোলন কর্মীরা করছেন তার কোন মানে নেই । ওদের ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনে নামানো হয়েছে । ওরা দাবি করেছে যাতে ওদের বেতন রাখীর আগে দেওয়া যায় । আমরা সেই চেষ্টাতেই আছি । আসলে লকডাউনের কারনে পুরসভায় ঠিক মত ট্যাক্স জমা পড়ে নি । স্থানীয় কলকারখানা গুলোও ট্যাক্স জমা দেয়নি । যার ফলে কর্মীদের বেতন বকেয়া পড়েছে । তবে ওরা ওদের বেতন ঠিক পাবে । যারা আন্দোলন করছে তারা সামান্য কিছু শ্রমিক । অধিকাংশ শ্রমিক সমস্যাটা বুঝেছে । তবে ওদের বেতন দ্রুত মেটানোর চেষ্টা চলছে ।” এদিকে টিটাগড় পুরসভা এলাকায় পুর কর্মীদের আন্দোলনের জেরে পুরসভার গেটের সামনে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে ।

Related Articles

Back to top button
Close